মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হচ্ছে : আইনমন্ত্রী ছয় দিনে রেমিট্যান্স এলো ৮ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা সরকারি চাকরিতে কর্মরত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার, শূন্য ৫ লাখ ২১ হাজার পদ শহীদ আব্দুল্লাহর মায়ের পাশে প্রধানমন্ত্রী, ছোট ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে তামাকমুক্ত ঘোষণা আফগানিস্তানের সাবেক পেসার শাপুর জাদরান আর নেই মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব প্রিমিয়াম সুবিধা নিয়ে চাঙ্গান-এর সিএস৭৫ প্রো এসইউভি এখন বাংলাদেশে ইতিহাসে প্রথম - সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সব সরকারি হাসপাতালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি
advertisement
সারাদেশ

গাজীপুরে কারখানা খোলার একদিনের মাথায় আবারও শ্রমিক বিক্ষোভ

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরে ন্যূনতম বেতন ২৩ হাজার টাকার দাবিতে আবারও কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেছে। এসময় শ্রমিকরা কোনাবাড়ী কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে।

রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় কাশিমপুরে মোল্লা মার্কেট এলাকায় মিতালি ফ্যাশন লিঃ ও হাতিমারা এলাকায় কটন ক্লাব নীটওয়্যার লিঃ,জিতার মোড় কাইজার নামক তিনটি ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরা ন্যূনতম বেতন ২৩ হাজার টাকার দাবিতে কাজ বন্ধ করে যার যার যায়গায় বসে থাকে।

পরবর্তীতে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরী হতে বের হয়ে রাস্তায় নেমে রিয়াজ ফ্যাশনে ভাঙচুর করার চেষ্টা করলে পুলিশ এসে পানি স্প্রে করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে কাশিমপুর এলাকায় সব কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

দুপুর ২ টা সময় আবারও পোশাক শ্রমিকরা কোনাবাড়ী কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়কে বিক্ষোভ
শুরু করলে জরুন এলাকায় রিপন গ্রুপ, ইসলাম গ্রুপ, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ, আলিফ গ্রুপ, কেয়া গ্রুপ এবং
এস্ট্রো গার্মেন্টসে ছুটি ঘোষণা করে। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কোনাবাড়ী বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

গত (২৩ অক্টোবর) সোমবার গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক, তেলির চালা, সফিপুর ও মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকার বেশ কয়েটি কারখানা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে। চলে মালিক শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। পরবর্তীতে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। দিন যতই অতিবাহিত হতে থাকে গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এই বিক্ষোভ চলে টানা আটদিন। পরে গাজীপুরে ৩০০ কলকারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৪ নভেম্বর) আতঙ্ক মাথায় নিয়েই সব গার্মেন্টস কলকারখানা খোলা রাখে কর্তৃপক্ষ। একদিনের মাথায় আজ রবিবার আবারও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বুঝি নাই বিক্ষোভ শুরু করে পোশাক শ্রমিকরা।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ি জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান জানান, সকালে কাশিমপুরে কয়েকটি পোশাক কারাখার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে এবং দুপুরে কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় আশেপাশের কিছ কারখানা ছুটি ঘোষণা করে। তিনি বলেন শ্রমিকদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ