বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
রাজনৈতিক মামলা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহার করা হচ্ছে : আইনমন্ত্রী ছয় দিনে রেমিট্যান্স এলো ৮ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা সরকারি চাকরিতে কর্মরত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার, শূন্য ৫ লাখ ২১ হাজার পদ শহীদ আব্দুল্লাহর মায়ের পাশে প্রধানমন্ত্রী, ছোট ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে তামাকমুক্ত ঘোষণা আফগানিস্তানের সাবেক পেসার শাপুর জাদরান আর নেই মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব প্রিমিয়াম সুবিধা নিয়ে চাঙ্গান-এর সিএস৭৫ প্রো এসইউভি এখন বাংলাদেশে ইতিহাসে প্রথম - সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সব সরকারি হাসপাতালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি
advertisement
সারাদেশ

৫ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদে ফেলে হত্যা, আটক ৩

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কংস নদ থেকে এক শিশুর (৫) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ। কদম ফুল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে চার তরুণ মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে রক্তপাত হওয়ায় জীবিত অবস্থাতেই কংস নদে ফেলে হত্যা করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যেই পুলিশের কাছে অপরাধের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

​আটককৃতরা হলেন- মারুফ হোসেন (২০), আরিফ হোসেন (১৮) ও রাকিব হাসান (১৯)। তারা সবাই ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের বাসিন্দা।

​শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে ধোবাউড়া উপজেলার নিজ বাড়ির পাশ থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় লোকজন কংস নদের একটি বাঁকে শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত ও উদ্ধার করেন।

​রোববার রাতেই শিশুটির মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করাতে নিয়ে যান স্বজনেরা। সে সময় শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে গভীর ক্ষত দেখতে পান তারা। এই অবস্থায় দাফনের প্রস্তুতি স্থগিত রেখে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সোমবার বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

​প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার স্পষ্ট আলামত পাওয়ায় এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে মারুফ, রাকিব ও আরিফকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার (হালুয়াঘাট সার্কেল) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আটক হওয়া তিনজনের মধ্যে একজনের ভাষ্য অনুযায়ী চারজন মিলেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। তবে বাকি দু'জন এখনো মুখ খোলেনি। এই ঘটনায় মোট চারজন জড়িত ছিল। পলাতক অন্যজনকে আটকের চেষ্টা আমরা চালাচ্ছি।

​তিনি আরও বলেন, ছোট ওই মেয়েটি সন্ধ্যার দিকে চিপস কিনে বাড়ি ফেরার পথে কদম ফুল দেওয়ার কথা বলে ওই চার তরুণ তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে নদের পাড়ে জঙ্গলের মতো একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের ফলে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হলে, জীবিত অবস্থাতেই শিশুটিকে নদে ফেলে দেয় তারা।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ