চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লুইস ডি লা ফুয়েন্তের স্পেন। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এবার তাদের মুখোমুখি হতে হবে শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে।
ম্যাচের শুরুতেই স্প্যানিশ শিবিরে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। ইনজুরিতে থাকা পেদ্রির জায়গায় আজ একাদশে সুযোগ পান মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজ। কোচের এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে তিনি মাত্র ৩০ মিনিট সময় নেন। গুছানো এক আক্রমণ থেকে স্পেনকে প্রথম লিড এনে দেন রুইজ।
প্রথম গোল: দানি ওলমোর একটি জোরালো শট বেলজিয়ান কিপার থিবো কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলেও বল পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বলে দারুণ দক্ষতায় শট নেন রুইজ, যা বেলজিয়ামের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
বেলজিয়ামের সমতা: গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের টুর্নামেন্ট-সেরা রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ৪১তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চমৎকার গোল করেন চার্লস ডি কেটেলারা। স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি। উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের জালে জড়ানো এটিই প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়াম শিবিরে বড় বিপর্যয় নেমে আসে। ম্যাচের অন্যতম ভরসা ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার পরিবর্তে পোস্টের নিচে দাঁড়ান তরুণ সেনে ল্যামেন্স।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ৮৮তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর তৈরি হওয়া জটলা থেকে বল পেয়ে যান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে ল্যামেন্সকে পরাস্ত করে স্পেনের জয়সূচক গোলটি করেন তিনি। বাকি সময়ে বেলজিয়াম আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি, ফলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে লা ফুয়েন্তের দল।