বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা ট্রাম্পের রোগী সেজে সোনার চেইন চুরি, এক্সরে করে পেটে শনাক্ত ইউসিবি ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে যমুনা ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু সম্পন্ন উপযুক্ত সময় ও পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু কৃষি ও পল্লী খাতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক–ইউসিবির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১,৫০০ পরিবারকে সহায়তা দিল আরব আমিরাত শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, বিএনপির হাত ধরেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রও এসেছে: প্রধানমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলের কৃষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিলে এসবিএসি ব্যাংকের অংশগ্রহণ চুক্তি এনায়েতপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
advertisement
আন্তর্জাতিক

আল-শিফা হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা সব রোগী মারা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি বাহিনী পুরোপুরি অবরুদ্ধ করার পর গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সব রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) হাসপাতালটির পরিচালক মুহাম্মদ আবু সালমিয়া কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে বুধবার (১৫ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের এবিসি নিউজ জানিয়েছিল, হাসপাতালটির আইসিইউতে থাকা ৬৩ রোগীর ৪৩ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।

আবু সালমিয়া বলেন, রোগী, চিকিৎসাকর্মী এবং আশ্রয় নেওয়া মিলিয়ে ৭ হাজার লোক হাসপাতালে আটকা পড়েছে। চিকিৎসকরা এখনো রোগীর সেবায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইসরায়েলি বাহিনী কাউকে ঢুকতে বা বের হতে না দেওয়ায় হাসপাতালটি বড় কারাগার ও গণকবর হয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, তিন দিন ধরে হাসপাতালটি অবরোধে রাখা হয়েছে। এখন আমাদের কাছে কিছুই নেই। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, খাবার, পানি কিছুই নেই। প্রতি মুহূর্তে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

পরিস্থিতি খুবই বেদনাদায়ক উল্লেখ করে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, আল-শিফা হাসপাতালকে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. আহমেদ মোখল্লালতি জানান, বাধ্য হয়ে তারা হাসপাতাল চত্বরেই মরদেহ দাফন করছেন।

এদিকে গাজার দক্ষিণেও হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেন, আমরা আমাদের অভিযান সম্পসারণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। হামাস যেখানে আছে সেখানেই আমাদের অভিযান চলবে। এমনকি, গাজার দক্ষিণেও যাবো আমরা। এ অভিযান তখনই শুরু হবে যখন আমাদের সেনাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় আসবে। সূত্র: আল জাজিরা

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ