সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
ছোট বোনকে ডুবতে দেখে পুকুরে ঝাঁপ বড় বোনের, দু'জনের মৃত্যু শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড অধরাই রয়ে গেল বিশ্বকাপ - আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার শনিবারের মধ্যে বেসরকারি ক্লিনিকে লেবার রুম বাধ্যতামূলক, না হলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১২ জুলাই সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা প্রজ্ঞাপন জারি - নিয়োগ পেলেন ২৭তম বিসিএসের আরও ৭৭ জন বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামের কাছ থেকে ৬০০টির বেশি ড্রোন জব্দ করেছে এফবিআই সিরাজগঞ্জে সব সরকারি সিসি ক্যামেরা বিকল নিউইয়র্কে অপহরণ ও নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি নারী দোষী সাব্যস্ত ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৫০ বাংলাদেশি
advertisement
সারাদেশ

ট্রাভেল পারমিটে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৫০ বাংলাদেশি

ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিএসএফ তাদের বেনাপোল চেকপোস্টে বিজিবির কাছে এবং বিজিবি বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ সময় দুই দেশের পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত আসাদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা ফিরোজ মাহমুদ জানান, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথে তারা ভারতের তামিলনাড়ুতে যান। সেখানে বাসাবাড়ি, গার্মেন্টস ও ইটভাটায় কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। পরে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের দুই থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

তিনি আরও জানান, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তীতে দুই দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৫০ জন বাংলাদেশিকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

যশোরের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার-এর ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসাদের প্রথমে সংস্থার যশোর শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ