January 14, 2026 - 4:40 am
তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৭৭
Homeজাতীয়নীরবে পার হয়ে যায় রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস

নীরবে পার হয়ে যায় রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস

spot_img

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: শত বছর পেরিয়ে গেলেও আজও জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়নি রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহের ইতিহাস! ইতিহাসের নির্মম ও ভয়ংকর হত্যাকান্ডের এই ঘটনাটি ইতিহাসের পাতায় চাপা পরায় সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবসটি প্রতিবারই নীরবে পার হয়ে যায়। ১’শ বছর আগে সলঙ্গা বিদ্রোহে যে ভয়ংকর মর্মান্তিক হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছিল তা উপমহাদেশের ইতিহাসে নারকীয় হত্যাকান্ড। এই দিনে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ বাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে যে দুর্বার গণবিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল তার নজির উপমহাদেশের ইতিহাসে বিরল। নিশ্চয়ই আপনাদের মনে পড়ছে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের কথা। অবশ্য জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড ও উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তা একটি নির্মম ও ভয়ংকর হত্যাকান্ড। কিন্তু তার চেয়ে নির্মমতম রক্তাক্ত হত্যাকান্ডটি ঘটেছিল এই বাংলাদেশে। আর সেটি ঘটেছিল ১৯২২সালের ২৭ জানুয়ারিতে সলঙ্গায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনা তথা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নির্যাতন এবং হত্যাকান্ডের ভয়াবহতার দিক দিয়ে এ ঘটনা নিঃসন্দেহে জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনাকে ম্লান করে দিয়েছিল।

আজ ১০০ বছর পর একথা অনেকের কাছে নতুন ও বিস্ময়কর মনে হতে পারে, এটা স্বাভাবিক। কারণ তৎকালিন পাবনা জেলা বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গার গো-হাটে সে দিন যে গণবিদ্রোহ ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছিল তা নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে কিন্তু তা আজো জাতীয় ভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি। অন্যদিকে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড নিয়েও লেখালেখি হয়েছে কিন্তু সেটা ইতিহাসে স্থান পেয়েছে।
পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে বস্তনিষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ করে তোলার জন্য সলঙ্গা বিদ্রোহের ইতিহাস জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্থান পাওয়া একান্ত প্রয়োজন। সলঙ্গা বিদ্রোহের হত্যাকান্ড নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে কিন্তু লেখালেখির কোন মুল্যায়ন ঘটেনি। সলঙ্গা বিদ্রোহে যে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল তা জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকান্ডের ঘটনাকে হারমানিয়েছে। অথচ সেই জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকান্ডের ঘটনা ইতিহাসে স্থান পেয়েছে ঠিকই কিন্তু পাক -ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এ বৃহত্তম গণবিদ্রোহ ও নির্মমতম সলঙ্গা হত্যাকান্ডের ঘটনাটি জতীয় আন্তর্জাতিক ভাবে ইতিহাসের পাতায় যথাযথ ভাবেও কিন্তু স্থান পাওয়া উচিত ছিল অথচ জাতীয়- আন্তর্জাতিক ভাবে ইতিহাসের পাতায় তা স্থান পায়নি। দুঃখজনকই শুধু নয় বিস্ময়করও বটে যে,এ ঘটনাটি ইতিহাসের পাতায় চাপা পড়ে গেছে। ১৯২২সালের ২৭ জানুয়ারি দিনটি ছিলো শুক্রবার। তৎকালিন পাবনা জেলার রায়গঞ্জ, তাড়াশ এবং উল্লাপাড়া থানার সংযোগস্থল ও বাণিজ্য বন্দর এলাকা বলে পরিচিত সলঙ্গা হাট। সলঙ্গা ছিলো এক প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র। গোটা উওরবঙ্গের মধ্যে সলঙ্গা হাট ছিলো প্রধান। আশে-পাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন ধরণের পণ্যসামগ্রী,গবাদি পশু বেচাকেনার জন্য এই হাটে আনা হতো। হাটবারে সলঙ্গায় হাজার হাজার লোক সমাগত হতো। শুক্রবার ছিল বৃহত্তর হাটের দিন। হাটের অধিকাংশ দোকানের মালিক ছিলো মাড়োয়ারি ও বর্ণহিন্দু সম্প্রদায়ের লোক।

গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিলেতী পণ্য সামগ্রী বর্জনের আন্দোলন চলছিলো এই হাটে। মুসলিম অধ্যূষিত এই এলাকায় কংগ্রেসের কর্মী তারুণ্যদীপ্ত উদীয়মান তেজস্বী মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। এই আন্দোলনে তাঁর সাথে কাজ করছিলেন তিন শতাধিক সেচ্ছাসেবী কংগ্রেসের কর্মী। তাঁরা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। এই সময় পাবনার তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরএন দাস সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক এসকে সিনহা এবং পাবনা জেলা ব্রিটিশ পুলিশ সুপার ৪০ জন সশস্ত্র পুলিশ নিয়ে এই হাটে উপস্থিত হয়। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়,এর তিনদিন আগে বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার শেষ সিমান্তবর্তী চান্দাইকোনা হাটে বিলেতী পণ্য বর্জন নিয়ে জনতা ও পুলিশের এক সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ জনতা পুলিশের হাত থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পাশের ফুলজোড় নদীতে ফেলে দেয়। এই ঘটনার পর সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় ব্যাপক পুলিশী অভিযান শুরু হয় । শুক্রবারে সলঙ্গায় পুলিশী তৎপরতা সেই ঘটনারই জের। তরুণ বিপ্লবী নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ সলঙ্গা হাটে অবস্থিত অস্থায়ী কংগ্রেস অফিসে ছিলেন। তাঁকে এখান থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার উপর অমানুষিক পুলিশী নির্যাতন চলানো হয়।

সেচ্ছাসেবকদের আহ্বানে জনতা নিরস্ত্র ছিলো। তাদের প্রাণ প্রিয় নেতাকে গুরুতর আহত করে হাটের ভিতর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। এ সময় কোন একজন পুলিশ সুপারের মাথায় আঘাত করেলে তিনি আহত হন। তখন জনতা বিপ্লবী আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশকে পুলিশের বেষ্টনী থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু মারমুখী দাঙ্গা পুলিশের কারণে সে সময় বেশী সুবিধা করতে পারেনি। আহত পুলিশ সুপারের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে মদ গাঁজার ব্যবসায়ীরা। পুলিশ সুপারের চিকিৎসাকালীন সময়ে লাখো জনতা বিপ্লবী নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশকে মুক্ত করার জন্য তিন দিক থেকে এগিয়ে আসেন। মুসলমান এই বীররা ছিলেন নিরস্ত্র। কিন্তু বুকে ছিলো স্বাধীনতার চেতনা। পুলিশ মদের দোকানের কাছে অবস্থান নেয় এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে আন্দোলনকারী এবং সাধারণ হাটুুরে জনতার উপর গুলীবর্ষণ করে। এই লোমহর্ষক হত্যাকান্ডে প্রায় সাড়ে চার হাজার লোক নিহত হয় (সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী) বেসরকারি হিসেবে হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশী বলে জানা যায়। সলঙ্গা হাটে অস্থায়ী চিকিৎসা ক্যাম্পে গুলীবিদ্ধ আহতদের ছয় মাস চিকিৎসা করা হয়। অন্যান্য আহতরা সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করায়। এখানে কতজন মারা গেছে তার কোন সঠিক হিসেব পাওয়া যায়নি। প্রাণ ভয়ে পালাতে গিয়ে গুলীবিদ্ধ হয়ে আহতদের মধ্যে কতজন মারা গেছে তারও কোন হিসেব নেই।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ তাঁর স্মৃতি কথায় লিখেছেন,গুলীবিদ্ধ হয়ে তাঁর সামনে সাতজন নিহত হয়। এদের মধ্যে তিন জনের নাম উল্লখ করা হলোঃ উল্লাপাড়ার চাঁদ উল্লাহ,আরজ উল্লাহ ও রাজ আলী । নাম ঠিকানা জানতে পেরেছি। এরা হচ্ছেন-সলঙ্গার সাতটিকরী গ্রামের বাদুর আলী পরামানিক,সলঙ্গা দশানীপাড়ার মুজার বাবা নামে পরিচিত এক ব্যক্তি এবং তেলকুপি গ্রামের অজ্ঞাত একজন। তাৎক্ষনিক নিহত এই সাতজনের মধ্যে ছয়জন মুসলমান এবং একজন হিন্দু। ব্রিটিশের নির্যাতনের ভয়ে অনেকেই সে সময় নিহতের কথা প্রকাশ করেনি। ব্রিটিশ রাজত্ব শেষ হওয়ার পর নিহতদের নাম ঠিকানা চাপা পড়ে গেছে। স্মৃতি কথায় মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ এই কাহিনীর বর্ণনা দিয়ে বলেছেন,এই নির্মমতা নিঃসন্দেহে জালিয়ান ওয়ালাবাগের চেয়েও ভয়ংকর ও ন্যাক্কারজনক। পুলিশের গুলীতে হাটে এতো গরু-মহিষের,ছাগল মারা যায় যে তার সংখ্যা নির্ণয় করা যায়নি। এসব জীব,জানোয়ারের সবদেহ আর নিহত মানুষের লাশ মিলেমিশে হয়ে গিয়েছিল একাকার। এর চেয়ে করুণ,এর চেয়ে নৃশংস ও মর্মান্তিক দৃশ্য জীবনে আর আমি দেখিনি। ৪০ জন পুলিশের মধ্যে ৩৯জন গুলী চালায়। একজন বিহারী হিন্দু ব্রাম্মন গুলী না চালিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। ( তার উত্তর ছিল,হাম তো আদমী কো মারনে আয়া,মায় গাও কাশি (গো হত্যা,নেহি কার সাকতা ও হামারা মাতা হ্যায়।

অবিরাম গুলীবর্ষণে পুলিশের গুলী শেষ হয়ে যাওয়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে জনতা লাঠি বল্লম নিয়ে চারদিকে থেকে এগিয়ে আসে। তারা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশকে মুক্ত এবং হত্যাকান্ডের প্রতিশোধ নিতে চায়। পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশকে মুক্তি দেয়। বিপ্লবী তর্কবাগীশ জনতাকে শান্ত হতে আহ্বান করেন। এই আহ্বানে জনগণ শান্ত হবার ফলে ব্রিটিশ সরকারের পুলিশ সুপার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও ৪০ জন পুলিশের প্রাণ রক্ষা পায়। প্রাণে বেঁচে যাওয়ার পর শাসকবাহিনী স্বরুপে আত্নপ্রকাশ করে। সন্ধার সময় গ্রামবাসীদের ধরে এনে তাদের দিয়ে আহত-নিহতদের একসাথে বেঁধে গাড়ীতে করে সিরাজগঞ্জ নিয়ে যাওয়া হয়। দেয়া হয় রহমতগঞ্জে গণকবর। পথেমধ্যে আরও অনেকে মারা যায়। এদের লাশ গায়েব করে ফেলা হয়। এরই স্বাক্ষী সিরাজগঞ্জ জেলার রহমতগঞ্জ। এই ঘটনার শাস্তি দাবী করে সারাদেশ জুড়ে আন্দোলন চলতে থাকে। ব্রিটিশ সরকার তাদের শাস্তি দেওয়ার বদলে ঘটনার সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও পুরস্কৃত করেছিলেন। সংবাদপত্রের উপর সে সময় ব্রিটিশদের কড়া নিয়ন্ত্রন থাকা স্বত্ত্বেও আনন্দবাজার,অমৃতবাজার,নায়ক এবং অন্যান্য পত্র-পত্রিকায় বহুদিন ধরে সলঙ্গা হত্যাকান্ডের খবর এবং সম্পাদকীয় নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। কালক্রমে এই উপমহাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে স্বাধীনতার ইতিহাস এর মধ্যে বাঙ্গালী মুসলমান নেই বললেই চলে। ফলে মুসলমানদের বীরোচিত কাহিনী এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে ইতিহাস বিস্মৃত জাতির অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে।’

সুতরাং ইতিহাস বিস্মৃত জাতির অগ্রগতি যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকটি লক্ষ্য রেখে আমাদের ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনসহ প্রতিটির ঘটনার ন্যায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহান তাৎপর্যের যথাযথ মর্যাদা নতুন প্রজন্মসহ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। সর্বোপরি ইতিহাস বিস্তৃত জাতির অগ্রগতি এবং ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস যেমন জাতীয় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঠিক তেমনিভাবে সলঙ্গা বিদ্রোহের ইতিহাস যাতে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পায় সে ব্যাপারে সরকারের মহতি উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে। এক্ষেত্রে সলঙ্গা বিদ্রোহের ঘটনার যথাযথ মর্যাদা নতুন প্রজন্মসহ জাতির সামনে উপস্থাপন করার পাশাপাশি সলঙ্গা বিদ্রোহের ঘটনাটি যাতে গিনেস বুক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ইতিহাসের পাতায় স্থান পায় সে বিষয়ে সু-দৃষ্টিসহ সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী...

সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় নিহত ১

শহীদুজ্জামান শিমুল, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাজমুল হাসান রানা নামে একজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে...

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে ‘জেনারেল ব্যাংকিং ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ভোধন

কর্পোরেট ডেস্ক: আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক এ ‘জেনারেল ব্যাংকিং ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক ৩দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ব্যাংকের ট্রেইনিং ইনষ্টিটিউটে শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারী) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা...

১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন সার সংগ্রহের পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার...

বাংলাদেশের অবস্থান বদলাতে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়ে...

সূচকের মিশ্রাবস্থায় বেড়েছে লেনদেন

পুঁজিবাজার ডেস্ক: সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও...

গণভোট নিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর আলোকে সংবিধান সংস্কারের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই ঐতিহাসিক গণভোট নিয়ে...