রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
জুলাই শহীদ ও আহত ১০ পরিবারের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী চলনবিলের নৈসর্গিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে: আফরোজা খানম রিতা যুবদল নেতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা, থানায় মামলা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাসহ ৩ জনকে সিএনজি-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী শাক ধুতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন নিষিদ্ধ চাঁদাবাজি ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতার পদ স্থগিত ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলা কিউআর নিয়ে বিশিষ্ট আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন: প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও করণীয়
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

উদ্বোধনের ১ মাসেও ধান আসেনি খাদ্য গুদামে

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ আমন ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের ১ মাসেও একমুঠ ধান সংগ্রহ করতে পারেনি গুদাম কর্তৃপক্ষ। কারণ হিসাবে তারা বলছেন সরকারি দামের তুলনায় বাজারদর বেশি হওয়ায় সরকারি গুদামে ধান দিতে কৃষকদের আগ্রহ নেই। তবে মিলারদের কাছ থেকে ২১৯.৪৫০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এ অবস্থায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে।পাশাপাশি কাজ না থাকায় নন্দীগ্রাম এলএসডির লেবারেরা পরেছে বিপাকে। কাজ না থাকায় অনেক কষ্টে তাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

নন্দীগ্রাম এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আলমগীর জানান, এ বছর নন্দীগ্রামে কৃষকদের কাছে থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে ১৩৪২ মেট্রিক টন আমন ধান ও চাল কল মালিকদের কাছে থেকে ৪৭ টাকা কেজি দরে ৬৭২ মেট্রিক টন আমন ধানের চাল ক্রয় করা হবে।

উপজেলার কৃষকরা বলেন, সরকার নির্ধারিত ধানের দামের চেয়ে বাজারে দাম বেশি তাই খোলাবাজারে ধান বিক্রি করলে তুলনামূলক বেশি লাভ। এছাড়া গুদামে ধান দেয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করা, সব ধরনের ধান না নেওয়া, ধানের দাম হাতে হাতে না পাওয়াসহ নানা সমস্যা হয়।

নন্দীগ্রাম এলএসডির লেবার সাত্তার আলী বলেন, গুদামে ধান আসিচ্ছে না, কিছু পরিমান চাল ঢুকেছে। আমরা বসে বসে সময় পার করছি। কাজ না থাকায় আমাদের চলাই কঠিন হয়েছে।

উপজেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন বলেন, ধান কিনে চাল করতে যে খরচ পড়ছে আর সরকারিভাবে যে মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে তাতে আমাদের কেজিতে ৪/৫ টাকা লোকসান হচ্ছে। লোকসানের পরও শুধু লাইসেন্স টিকিয়ে রাখতে ও সরকারকে সহযোগী করার জন্য চাল দিতে হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাজেদুল ইসলাম জানান, বাজারে ধান-চালের দাম বেশি। তাই গুদামে ধান দিতে কৃষকদের আগ্রহ নেই। মিলাররা আমাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় তারা চাল দিতে সম্মত হয়েছেন। তাদের সাথে যে চুক্তি হয়েছে এ পর্যন্ত তার ৭০ ভাগ চাল সংগ্রহ হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ