January 8, 2026 - 6:12 am
তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৭৭
Homeনির্বাচিত কলামকত অপেক্ষা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য ?

কত অপেক্ষা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য ?

spot_img

।।এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

বর্তমানে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। দশকের পর দশক সময় ধরে চলা ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনের কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ভূখণ্ডটি। অসংখ্য মানুষের মৃত্যু, প্রিয়জন হারানোর বেদনা, তীব্র মানবিক সংকট, অনাহার আর দুর্ভিক্ষের ভেতরেই ফিলিস্তিনিদের জীবন কাটাতে হয়। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ড সহ ফিলিস্তিনে পরিস্থিতি আজ ভয়াবহ। ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসনের কারণে ভূখণ্ডটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে, তবে সেখানে বাকি বিশ্বের মতো থাকে না আনন্দ, আছে ধ্বংসযজ্ঞ, মানুষের মৃত্যু, আর আছে প্রিয়জন হারানোর বেদনার মাঝেই তাদের জীবন চলে যায়।

জীবনমুখী কথাশিল্পী নচিকেতা কবিতার ভাষায় বলেনে, ‘একদিন ঝড় থেমে যাবে, পৃথিবী আবার শান্ত হবে’। ‘বসতি আবার উঠবে গড়ে, আকাশ আলোয় উঠবে ভরে, জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে।’ ঝড় থেমে যায়, কিন্তু ক্ষতচিহ্ন তো রেখে যায়। এই প্রশ্নটায় রেখে গেছেন ফিলিস্তিনের কণ্ঠস্বর, কবি মাহমুদ দারবিশ। ‘যুদ্ধ থেমে যাবে’ কবিতায় তিনি বলেছেন-

‘একদিন যুদ্ধ থেমে যাবে,
নেতারা হাত মেলাবে;
কিন্তু মা অপেক্ষা করবে কবে তার শহীদ ছেলে ঘরে ফিরবে,
বধূ অপেক্ষা করবে কবে তার প্রাণের স্বামী ফিরে আসবে,
বীরোচিত বাবার ফেরার অপেক্ষায় শিশুরা চেয়ে থাকবে;
আমি জানি না, ওরা কারা যারা আমাদের জন্মভূমি বেচে দিয়েছে,
তবে, আমি দেখেছি তাদের যাদের জীবন দিয়ে এর খেসারত দিতে হয়েছে।’

ফিলিস্তিনিদের বঞ্চনা ও বেদনা এবং ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে তাদের লড়াই ও সংগ্রামের সারকথা যেন এই কটা বাক্যের মধ্যেই রয়েছে। ‘নিজঘরে পরবাসী’ হয়ে আছে ফিলিস্তিনিরা, সেই ১৯৪৮ সাল থেকে, যখন তাদের ভিটাচ্যুত করে অভিশপ্ত ভিত গড়েছিল ইসরায়েল। বিশেষ করে, ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে শ্বাসরুদ্ধকর অবরোধের শিকার ফিলিস্তিনিরা। এর শেষ কোথায়?

১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘের যে প্রস্তাব অনুসারে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা, সেই একই প্রস্তাব অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রেরও প্রতিষ্ঠার কথা। কিন্তু দীর্ঘ সাত দশক পরও অধরাই রয়ে গেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা।ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি ঐতিহ্যগতভাবে খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল এবং সংলগ্ন কিছু এলাকা নিয়ে বিরাজমান ছিল। ১৫ মে, ১৯৪৮ সাল। এক দিনে লাখো ফিলিস্তিনিকে তাদের হাজার বছরের আবাসভূমি থেকে সীমাহীন অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়ে উৎখাত করা হয়। সেই ভূমিতে বহিরাগত ইহুদিদের জন্য প্রতিঠা করা হয় আজকের ইসরাইল। দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ‘বিপর্যয়’ বা ‘নাকবা’ দিবস হিসেবে বিবেচনা করে। ১৯১৭ সালে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেলফোর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলে শুরু হয় ফিলিস্তিনিদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। সেই থেকে শুরু প্রতারিত, ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, ভাগ্যবিড়ম্বিত ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। গত ৭০ বছর ধরে এই সংগ্রাম বিরতিহীনভাবে চলছে।

১৯৪৭ সালেই জাতিসঙ্ঘ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ওই পর্যন্তই। জাতিসঙ্ঘের ১৮১ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে জেরুসালেম একটা আন্তর্জাতিক জোন। আর পূর্ব জেরুসালেম হলো ইসরাইলের অবৈধভাবে দখল করা ভূমি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেখানেই মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে এনেছে। আর সেটা করেছে সেই ফিলিস্তিনিদের বিপর্যয় বা ‘নাকবা’ দিবসে। ১৫ মে’র পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজার বিক্ষোভগুলো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কলেবরে হয়। বিক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণে এ দিন গাজায় ৬০ জন নিহত এবং আড়াই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের ওপর যুক্তরাজ্যের শাসনের লাগাম ছুটে যেতে থাকে। এর আগে ১৯২২ সালে লিগ অব নেশনসের কাছ থেকে অখণ্ড ফিলিস্তিনের ওপর ম্যান্ডেট লাভ করে ব্রিটিশরা। কিন্তু ইহুদি নিধনযজ্ঞ, বিভিন্ন ইহুদি গুপ্ত গোষ্ঠীর চাপ, আরব লিগের প্রতিষ্ঠা ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সংশ্লিষ্টতার ঘটনায় এই পরিস্থিতি তখন থেকেই রাতারাতি পাল্টাতে থাকে। পরে ১৯৪৭-এর ফেব্রুয়ারিতে ফিলিস্তিনের ওপর থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেয় ব্রিটিশরা। একসময়ের লিগ অব নেশনস, বর্তমান জাতিসংঘের কাছে এর দায়িত্ব অর্পণ করে।

১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ফিলিস্তিনকে বিভক্ত করা নিয়ে বিতর্কিত ‘প্রস্তাব ১৮১’ গ্রহণ করে। প্রস্তাবটি তিন মিনিটের কম সময়ের এক ভোটাভুটিতে পাস হয়। প্রস্তাব পাসের সময়টায় ফিলিস্তিন ছিল ১৩ লাখ ফিলিস্তিনি আরবের বসতি; বিপরীতে সেখানে ছিল ৬ লাখ ইহুদির বাস। এই বিভক্তির প্রস্তাব অনুসারে পরের বছরের ১ আগস্টের মধ্যে স্বাধীন ইহুদি ও আরব রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল।

প্রস্তাবিত ইহুদি রাষ্ট্রের জন্য বরাদ্দ হয় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার (৫ হাজার ৪০০ বর্গমাইল) স্থান। আর সংখ্যাগরিষ্ট ফিলিস্তিনি আরবদের জন্য বরাদ্দ হয় সাড়ে ১১ হাজার বর্গকিলোমিটারের (৪ হাজার ৪০০ বর্গমাইল) তিনটি এলাকা। আর জেরুজালেম ও এর আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠন করা হয় এক বিশেষ আন্তর্জাতিক অঞ্চল।
১৯৪৮-এ জনসংখ্যার মাত্র ৩০ শতাংশের প্রতিনিধিত্বকারী হয়েও ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল ফিলিস্তিনের ৫৪ শতাংশ ভূখণ্ডের মালিক হয়। ক্ষুব্ধ আরব দেশগুলো পুরো ফিলিস্তিনকে নিয়ে একটি একক, গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ডাক দেয়।

১৯৪৮-এ ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষিত হলে প্রতিবেশী চারটি আরব দেশ একযোগে ইসরায়েল আক্রমণ করে। যুদ্ধে আরবরা পরাজিত হয়। জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী নিজেদের জন্য বরাদ্দকৃত স্থানেরও বেশি মোট ৭৭ শতাংশ ভূমির ওপর আজ দখলদারি প্রতিষ্ঠা করেছে ইসরায়েল। আর আজ ৭২ বছর পরও অধরা স্বাধীন ফিলিস্তিনের স্বপ্ন। ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের দল ফিলিস্তিন লিবারেশন অরগানাইজেশন (পিএলও) সহিংসতার লাগাম টেনে ধরতে এবং জাতিসঙ্ঘের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার চেষ্টা করে। বিপরীতে গাজা উপত্যকায় জন্ম হয় ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের, যারা নিজেদেরকে পিএলও’র বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়।

হামাস তার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে যেকোনো কিছুর বিনিময়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ঘোষণা করে। এ ঘোষণা আন্দোলনরত যোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করে এবং সাহস জোগায় ইসরাইলি দখলদারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার।

এ দিকে, ফিলিস্তিন মুক্তি সংগ্রামের অব্যাহত গতিধারায় আশার আলো জাগায় ১৯৭৯ সালে সংঘটিত ইরানের বিপ্লব। বিপ্লবের পর ফিলিস্তিন ও আল-কুদসের মুক্তির লক্ষ্যে সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করতে মাহে রমজানের শেষ শুক্রবারকে আল-কুদস দিবস ঘোষণা করা হয়। তখন থেকে বিশ্ব মুসলিম এ দিবসটি পালন করে আসছে। বর্তমান ফিলিস্তিনে হামাসের নেতৃত্বে জেগে উঠেছে ফিলিস্তিনের অজুত মানুষ। আর দক্ষিণ লেবাননে বিপুল শক্তি অর্জন করেছে এক লড়াকু সংগঠন হিজবুল্লাহ। তাদের হাতে পর্যুদস্ত হয়ে ২০০৬ সালে ইসরাইলি সেনাবাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা বিশ্বের মদদে ইসরাইল যুগের পর যুগ ধরে গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। ফিলিস্তিনীদের একমাত্র অপরাধ তারা মুসলমান। আন্তর্জাতিক বিশ্ব ইসরাইলকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করতে ব্যার্থ হয়েছে। মুসলমানরা বার বার জাতিসংঘ, ওআইসি, আরবলীগ সহ মানবাধিকার রক্ষাকারী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ফিলিস্তিনে গণহত্যার দায়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানালেও কার্যত কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় নাই। ইসরাইলকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করা সহ গণহত্যার দায়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানাচ্ছি। উদ্বাস্তুদেরকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেও দৃশ্যত খুব বেশী উদ্যোগ দেখা যায় নাই।

মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোড়া রক্তখেকো, রক্তচোষা নেতানিয়াহু মানব সভ্যতার দুশমন। বাংলাদেশের পাসপোর্টে ইজরাইলের গমন নিষিদ্ধ ছিল। সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইজরাইলের দোসর পতিত সরকার গোপনে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে ইজরাইলে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। মুসলিমদের টাকায় ইজরায়েল অস্ত্র তৈরি করে সেই অস্ত্র দিয়ে আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের হত্যা করবে তা মেনে নেওয়া যায় না, যাবে না। ইজরায়েলের উপর অর্থনৈতিক চাপ, আন্তর্জাতিক চাপ তৈরির ছাড়া কোন বিকল্প নাই। ইজরাইল ভিক্ষুকরূপে আরব বুকে একটু ভূখন্ড চেয়েছিল। তাদেরকে ভূখন্ড দেওয়ার পর তারা মুসলমানদের প্রথম কাবা দখল করে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। এজন্যই তারা ফিলিস্তিনের নাগরিকদের উপর বর্বরোচিত হামলা চালাচ্ছে।

যে জাতি শাহাদতের মধ্যে গৌরব খুঁজে, তাদের কেউ থামাতে পারে না। তাদেরকে হত্যা করা যায়, বন্দী করা যায় কিন্তু স্বাধীনতার আকাশছোঁয়া স্বপ্ন থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায় না। বিশ্বজুড়ে যারা মানবতার বুলি আওড়ায়, তারাই বর্বর হামলার সহযোগিতা করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বকেই তাই দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে এই প্রাণঘাতী যুদ্ধ বন্ধের জন্য। সারা বিশ্বকেই এগিয়ে আসতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বকে চাপের মধ্যে রাখতে। ইসরাইল-ফিলিস্তিনে চিরস্থায়ী শান্তি আসবে সেইদিন যেদিন ফিলিস্তিনিরা পাবে তাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব চাইলেই তা এই মুহূর্তেই সম্বভ। ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ কোনো সহজ বা সোজা পথে নয়। ‘কোন পথে ফিলিস্তিন’-এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, সংলাপ, ন্যায়বিচার এবং সম্মানের ভিত্তিতে একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান প্রতিষ্ঠার ওপর। ফিলিস্তিন এমন একটা দেশ। যাদের প্রধানমন্ত্রী আছে, বিভিন্ন দেশে দূতাবাস আছে কিন্তু পৃথিবীতে তারা একমাত্র জাতি যাদের কোনো ভূমি নেই। আর এটি ঘটছে আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যের ষড়যন্ত্রের কারণে। দীর্ঘদিন যাবৎ ফিলিস্তিনের জনগণ এই অধিকারের জন্য লড়াই করছে। তাদের মাতৃভূমি থাকতেও তাদের কোনো দেশ নেই। তাদের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আমরা সমর্থন জানাই। আমরা গাজাকে মুক্ত ও ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার আগ পর্যন্ত কোনোভাবেই থেমে যাবো না। হয় আমরা ফিলিস্তিনকে স্বাধীন করবো; নয়তো ফিলিস্তিনি শিশুদের মতো শাহাদাতকে হাসিমুখে বরণ করে নেবো। মুসলমানদের জন্য এর কোনো বিকল্প পথ নেই। বিশ্ব মুসলমানদের আজ প্রশ্ন আর কত সময় অপেক্ষা করতে হবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য ?

(লেখক : রাজনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক। )

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়: আসিফ নজরুল

স্পোর্টস ডেস্ক: যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী মাসে  ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে...

৫ বছর গুম থাকলে সম্পত্তি বণ্টনের আদেশ দিতে পারবেন ট্রাইব্যুনাল

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের আইনি সুরক্ষা ও উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের...

যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ৫৭ হাজার ৮৫৫ টন ভুট্টা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আসা ভুট্টার চালান খালাস করা হচ্ছে। চালানটিতে ২০২৫-২৬ ফসল মৌসুমে নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা...

বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

কর্পোরেট ডেস্ক: স্টার্ট-আপ খাতে অর্থায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত পুনঃঅর্থায়ন...

ঢাকা-করাচি রুটে বিমানের ফ্লাইট শুরু ২৯ জানুয়ারি

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও ঢাকা-করাচি-ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২৯ জানুয়ারি এই রুটে...

নির্বাচনের আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে ৭ দিন

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ভোটের মাঠে ৭ দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত...

সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ

পুঁজিবাজার ডেস্ক: সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও...

ইনটেকে কোম্পানি সচিব নিয়োগ

পুঁজিবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইটি খাতের প্রতিষ্ঠান ইনটেক লিমিটেডে কোম্পানি সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, কোম্পানিটির সচিব হিসেবে...