বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ যমুনার ভাঙনে চৌহালী: হুমকিতে জনপদ ও ধর্মীয় স্থাপনা ২০২৭ সাল থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি - এইচএসসিতে নকল মিললে কেন্দ্র প্রধানদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ২৯ জুন প্রাইম ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা প্রথম প্রান্তিকে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার প্রতি আয় বাড়ল ১.৫৩ টাকা দ্বিতীয় প্রান্তিকেও বেক্সিমকো ফার্মার চমক, ৬ মাসে ইপিএস ১০.৫৮ টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষক ও ৩ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়
advertisement
রাজনীতি

এমপি পদকে ডিভোর্স দিতে রাজি ফুটবল ছাড়বেন না: সুমন

তিমির বনিক, স্টাফ রিপোর্টার: ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন এমপি বলেছেন, ‘ভিংরাজ মেম্বারের কোনো দোষ নাই, দোষ হলো টিপাটিপির (অর্থ)। আমার প্রতিপক্ষরা বলেছিল আমি এমপি হতে পারব না, অথচ এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে আমি এমপি হয়ে দেখিয়ে দিয়েছি আমিও পারি। নির্বাচনে উপর থেকে তাবিজ মারা হয়েছে। আমি নির্বাচিত না হলে ভালো মানুষের দাম থাকতো না।’

তিনি শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার রত্না চা-বাগান ফুটবল মাঠে প্রভাতী ক্রীড়া চক্র রত্না বনাম ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন ফুটবল একাডেমির মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলা শেষে দর্শকের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা পড়ালেখা করো, মা-বাবার সেবা করে যাও। তোমাদের এলাকায় কোনো দুর্নীতির খবর পেলে, রাস্তায় পাতলা কাম হলে তোমাদের এমপি’কে ম্যানশন করে ফেইসবুকে লেখবেন রাস্তায় কাটিং কাটং চলছে, আমাকে সিসি দিবেন। তখন এমপি সাব সাটিং সাটিং দিয়া দিবেন। চুর চুট্টার কারণে এ দেশ এগুচ্ছে না। আমি চুনারুঘাট-মাধবপুরের এমপি। কিন্তু ফুটবলের বিষয়ে আমি যেকোনো জায়গায় হাজির। আমার প্রতিপক্ষরা বলেছিল আমি এমপি হলে আর ফুটবল খেলবো না। তাদের চোঁখে ধুলো দিয়ে নির্বাচনের পর এই প্রথম জুড়ীতে ফুটবল খেলতে আসলাম। আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এক হাজার ফুটবল আনবো। এর মধ্য থেকে জুড়ীতে দুই’শ ফুটবল দেবো।’ প্রীতি ম্যাচটি গোল শূন্য ড্র হয়।

খেলা উপলক্ষে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে মাঠের চারিদিকে জড়ো হন। গাছের ডালে, বিদ্যালয়ের ছাদে তিল ধারণের ঠাই ছিল না। চারিদিকে জড়ো হন শুধু মাত্র শরীর থেকে কলিজা বড় মানুষটিকে এক ঝলক দেখার আগ্রহ নিয়ে। গাছের ডালে, বিদ্যালয়ের ছাদে তিল ধারণের ঠাই ছিল না।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ