সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ সালমান ছোট বোনকে ডুবতে দেখে পুকুরে ঝাঁপ বড় বোনের, দু'জনের মৃত্যু শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড অধরাই রয়ে গেল বিশ্বকাপ - আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার শনিবারের মধ্যে বেসরকারি ক্লিনিকে লেবার রুম বাধ্যতামূলক, না হলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১২ জুলাই সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা প্রজ্ঞাপন জারি - নিয়োগ পেলেন ২৭তম বিসিএসের আরও ৭৭ জন বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়ামের কাছ থেকে ৬০০টির বেশি ড্রোন জব্দ করেছে এফবিআই সিরাজগঞ্জে সব সরকারি সিসি ক্যামেরা বিকল নিউইয়র্কে অপহরণ ও নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি নারী দোষী সাব্যস্ত
advertisement
জাতীয়

বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন : মরদেহ বুঝে পেল ৪ পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ১ মাস ১০ দিন পর বুঝিয়ে দেয়া হলো রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের আগুনে নিহত চারজনের মরদেহ। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে ঢাকা রেলওয়ে থানা পুলিশ।

মরদেহগুলো হলো, রাজবাড়ির আবু তালহা (২৩), চন্দ্রীমা চৌধুরী সৌমি (২৮) ও এলিনা ইয়াসমিন (৪৪) ও পুরান ঢাকার নাতাশা জিয়াসমিন নেকি (২৫)।

ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)‌ ফেরদাউস আহ‌ম্মেদ বিশ্বাস জানান, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয়ার ঘটনায় মরদেহ চারটি একবারেই পোড়া ছিল। এজন্য চেহারা দেখে শনাক্ত করার উপায় ছিল না। পরে আদালতের আদেশক্রমে দাবিকৃত স্বজনদের ও পোড়া মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে ক্রস ম্যাচিং করা হয়। এর মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। আজ লাশগুলো স্বজনদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেয়া হলো।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে এলিনা ইয়াসমিনের মরদেহ গ্রহণ করেন ভাই মনিরুজ্জামান মামুন। নাতাশার জেসমিনের মরদেহ গ্রহণ করেন বড় ভাই খুরশীদ আহমেদ। আবু তালহার মরদেহ গ্রহণ করেন মামা মনিরুল ইসলাম এবং চন্দ্রিমা চৌধুরীর মরদেহ গ্রহণ করেন বড় ভাই ডা. দিবাকর চৌধুরী।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে এলিনা ইয়াসমিনের স্বামী সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন চপল বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমার স্ত্রীসহ কয়েকজন মারা গেছেন। আমার বাচ্চা সারাজীবন কি বলবে? রাজনৈতিক প্রতিহিংসা সাধারণ জনগণ কেন ভোগ করবে? এগুলো থেকে মুক্তি চাই।

নাতাশার বড় ভাই খুরশীদ আহাম্মেদ বলেন, দীর্ঘ ৪০ দিন অপেক্ষার পর আমার বোনের মরদেহ বুঝিয়ে পেলাম। এই ৪০দিন যে আমাদের পরিবার কীভাবে কেটেছে তা বুঝানো যাবে না। এরকম ঘটনার শিকার যেন কেউ না হয় এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ