প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে সরকারি নির্দেশনা দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখার উপসচিব আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিপত্রে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখের পরিপত্র অনুযায়ী ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।
এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকে 'মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস' হিসেবে পালন করে।