রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা বাবার লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দেওয়া আফিয়া মাসুমা পেল এ গ্রেড যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন মাহমুদুল হক বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে নতুন অর্থায়ন মডেল গড়ে তুলছে আইএফআইসি ব্যাংক ও সুইসকন্ট্যাক্ট পুকুর থেকে হোটেলকর্মীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার মিরপুর টেস্ট - উইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারল বাংলাদেশ ২০৩০ সাল পর্যন্ত মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ এ মেয়েরা এগিয়ে এইচএসসিতে ১ বা ২ বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ
advertisement
আইন-আদালত

দুর্নীতির মামলায় শাহজাদপুরের পিআইও আবুল কালাম আজাদ গ্রেফতার

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। রোববার দিবাগত রাতে পাবনা সদর উপজেলার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার সকালে দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ৮ মে তার, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ৩ জুলাই তারা সম্পদ বিবরণী জমা দেন।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

একই মামলায় তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের বিরুদ্ধে স্বামীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে বাবার অবৈধ ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আবুল কালাম আজাদের শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামেও অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য উঠে আসে। এ প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর তার কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর জমা দেওয়া বিবরণীতে তিনি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিলেও অনুসন্ধানে ঘোষিত তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। পরে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর জামাল উদ্দিন ফকিরকে প্রধান আসামি করে এবং আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম জানান, দুদকের একটি বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারের পর আবুল কালাম আজাদকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ