শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

ডিসেম্বরে আমানতে ৮ শতাংশের বেশি সুদ দিয়েছে ১০ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি চরম মাত্রায় ঠেকেছে। এতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমানতের সুদহার বাড়াতে হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে সম্প্রতি ব্যাংকের আমানতের ওপর বেঁধে দেওয়া সুদহার তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আমানতের সুদহার নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারে। গত ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমানতে ৮ শতাংশের বেশি সুদ দিয়েছে দশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি আমানতকারীদের ১১.৪০ শতাংশ সুদ দিয়েছে। আলোচিত এই সময়ে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড সুদ দিয়েছে ৯.৬৪ শতাংশ। আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড ৮.৭৭ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৮.৬৮ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড ৮.৪১ শতাংশ আমানতে সুদ দিয়েছে।

এছাড়া প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ৮.২৩ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৯.০২ শতাংশ, ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড ৮.০৭ শতাংশ, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৯.১৩ শতাংশ এবং সিভিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড ৮.৬৩ শতাংশ সুদ দিয়েছে।

এদিকে ২০২২–২৩ অর্থ বছরের (জানুয়ারি-জুন) শেষ ৬ মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে আমানতের ওপর বেঁধে দেওয়া সুদহার তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে। তখন থেকেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতের সুদ হার নিজেরাই নির্ধারণ করছে।

এসময় ভোক্তাঋণের ক্ষেত্রে সুদহার ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। অর্থাৎ ভোক্তাঋণের সুদহার এখন সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ।

তবে আলোচিত এই সময়ে শিল্পঋণসহ অন্যান্য ঋণের ক্ষেত্রে সুদহার বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। অন্যান্য ঋণের বেঁধে দেওয়া সুদহার তুলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকবে বলে জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিলে ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে দেওয়ার পর আমানতের সুদহার আড়াই শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছিল। এরপর ২০২১ সালের আগস্টে আমানতের সর্বনিম্ন সুদহার বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ৩ মাস ও তার বেশি মেয়াদি আমানতের সুদ কোনোভাবেই ৩ মাসের গড় মূল্যস্ফীতির কম হতে পারবে না

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ