শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

ই-কমার্সে ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণে ‘সিসিএমএস’ সেবা উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ই-কমার্সে ভোক্তাদের অভিযোগ দাখিল আরও সহজতর করতে সেন্ট্রাল কম্পেলেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(সিসিএমএস) সেবা উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশেষায়িত এ প্লাটফর্মটি ভোক্তা, নিয়ন্ত্রক, সমন্বয়ক ও ই-কমার্স স্টেকহোল্ডারদের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করবে।

রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশেষায়িত এ সেবার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এসময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ অনেকে।

সিসিএমএস একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম। এখানে একজন ভোক্তা ই-কমার্স সংক্রান্ত যেকোনো যৌক্তিক অভিযোগ সহজে উপস্থাপন করে প্রতিকার গ্রহণ করতে পারবেন। প্ল্যাটফর্মটি ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ই-কমার্স স্টেকহোল্ডার, নথি সিস্টেম ও বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বর্তমানে দ্রুত বিকাশমান ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির গ্রাহকসেবা নিশ্চিতকরণ ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখবে সিসিএমএস।

সিসিএমএস ব্যবহারের সুবিধা-ইন্টিগ্রেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ ও উইজেট মডিউলের মাধ্যমে যেকোনো ধরনের ই-কমার্স পাটিফর্মের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন করা যাবে।

ভোক্তাদের মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে অভিযোগটি গ্রহণ করা হয় বলে হয়রানিমূলক অভিযোগ সহজে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

অভিযোগের ক্ষেত্রে গ্রাহক সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দাখিল করলে সহজে অভিযোগ ভেরিফাই করা হবে।

অভিযোগ দায়ের করার আগে সংশ্লিষ্ট ই-কমার্সে অভিযোগ করা হয়েছে কি না ও কোনো প্রতিকার পেয়েছে কি না সেটি যাচাই করা সহজ হবে।

অভিযোগ দায়েরের আগে ই-কমার্স নীতিমালা শর্তগুলো অনুসরণ করা হয়েছে কি না সেটি যাচাই করা সম্ভব হবে।

ভোক্তার অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অবহিত করাসহ আত্মপক্ষ সমর্থন ও সমাধানের সুযোগ দেওয়া হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে সেই অভিযোগের বিস্তারিত যাচাই করতে পারে। গ্রাহক যেকোনো সময়ে তার অভিযোগের বিস্তারিত ও অগ্রগতি চেক করতে পারবে। অভিযোগ নিষ্পত্তির অগ্রগতি গ্রাহক এসএমএস ও ইমেইল নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সেটি সমাধানের চেষ্টা না করলে বা দু’পক্ষের মধ্যে মতের অমিল হলে সিস্টেম সেটি ডিটেক্ট এবং নোটিফিকেশন জারি করে ও নিয়ন্ত্রণকারীকে জানিয়ে দেওয়াসহ একাধিক সুবিধা পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ