টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের স্বর্ণালংকারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ভ্যা
শনিবার (২৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ৪ হাজার ৪৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাটের বিষয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে ২৫ জুন ও ২৪ জুন টানা দুই দফায় স্বর্ণালংকারের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস। ২৫ জুন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি। আর ২৪ জুন ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম কমানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।
এদিকে স্বর্ণের সঙ্গে দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫০ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২৫ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।