রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
ছয় পদের চারটিই বছরের পর বছর শূন্য - দীর্ঘদিন জনবল সংকটে ধুঁকছে শার্শা উপজেলা মৎস্য অফিস হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান পরিপত্র জারি - সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা নরসিংদীতে পুকুরে গোসলে নেমে মামাতো ফুফাত তিন বোনের মৃত্যু ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ‘পেমেন্ট পাসকি’ আনল ভিসা
advertisement
সারাদেশ

সিংগাইরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের ভূমি জবরদখলের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়ন কাউন্সিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের নির্মিত গণমিলনায়তন কেন্দ্রের ভবনটি ভেঙ্গে মালামাল অপসারণ ও ভূমি জবরদখলের অভিযোগে থানায় জিডি করা হয়েছে।

সিংগাইর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. মনজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৪ জুন) এ সাধারণ ডায়েরি করেন।

জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯৮৪- ৮৫ অর্থবছরে ওই স্কুল সংলগ্ন ২ শতাংশ জায়গায় উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে গণমিলনায়তন কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। কয়েক বছর পর সমাজসেবার জনবলে ঘাটতির কারণে প্রশিক্ষণ এবং সভা-সেমিনার কম থাকায় ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদ কিছুদিন ওই কেন্দ্র ব্যবহার করে। পরবর্তীতে ওই ঘরের বড় একটি অংশে স্থানীয় ভূমি অফিসের কাজ ও পরিচালনা করা হয়ে থাকে । ভূমি অফিসের কার্যক্রম নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হলে বেশকিছু দিন ঘরটি বন্ধ ছিল। গত শনিবার (১ জুন) ছুটির দিনে সুযোগ বুঝে কাউকে না জানিয়ে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে ভবনটি অবৈধ ও বেআইনীভাবে ভেঙ্গে মালামাল অপসারণ ও জমি স্কুলের দখলে নেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষকের এহেন কর্মকান্ড স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘরটি আমাদের স্কুলের জায়গায়। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ছাত্ররা ভেঙে ফেলেছে। ঘটনাটি পত্রিকায় প্রকাশ না করার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।

সিংগাইর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গতে হলে একটা নিয়ম আছে। কাউকে না জানিয়ে আমাদের অফিসের গণমিলনায়তন কেন্দ্রটি ভেঙে ফেলায় আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে থানায় জিডি করেছি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম আ: হান্নান বলেন, প্রধান শিক্ষকের এ কাজটি করা ঠিক হয়নি। অপসারণ করতে হলে সিস্টেমের বাইরে যাওয়া যাবে না।

এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, জিডি’র তদন্ত চলছে, সত্যতা পেলে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ