রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
শিরোনাম
রবি এলিট প্রোগ্রামে আরও ১৬ ব্র্যান্ড, মিলবে ৫২% পর্যন্ত ছাড় দেশে অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব-তিমুরে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টিভি, যাচ্ছে ১২তম শিপমেন্ট ইসলামী ব্যাংকে পলিসি কমপ্লায়েন্স বিষয়ক কর্মশালা নিউইয়র্কের মেয়রের সঙ্গে অভিনয়ে জায়েদ খান ময়মনসিংহে ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর এনআরবিসি ব্যাংকের সদ্যনিয়োগপ্রাপ্ত এমটিওদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শার্শায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় একজনকে গ্রেফতার মমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু ঢাকার অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই আয়োজন করল চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল
advertisement
সারাদেশ

মমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫।

শনিবার (২৩ মে) সকালে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডাঃ ঝন্টু সরকার।

মৃত শিশুটির বয়স ছিল সাড়ে তিন মাস। সে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার দিউ গ্রামের বাসিন্দা। ২০ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৯ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৫৬০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৪২৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে আরও পাঁচ শিশু।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে হামের লক্ষণ নিয়ে রোগী ভর্তি শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ শয্যার একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাঃ গোলাম মাওলা বলেন, ‘দেশের অনেক শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। অপুষ্টির কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, আর হাম হলে সেই জটিলতা আরও তীব্র হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিশুদের জন্য হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের “বাবল সিপ্যাপ” পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।’

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ