রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ মেডিকেলে রোগীকে ধরিয়ে দেওয়া হলো চেম্বারের ভিজিটিং কার্ড ‘রিকভারি টি’ আনল টুরাগ অ্যাক্টিভ চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল : ইসি আনোয়ারুল আইএফআইসি ব্যাংক ও ইবনে সিনা ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর সংসদে অর্থমন্ত্রী - ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখ কৃষক ৩ ক্যাটাগরিতে ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ পেল ওয়ালটন প্রতিটি টেস্ট ড্রাইভের জন্য একটি করে গাছ লাগাবে বিওয়াইডি বাংলাদেশ হানিমাইট-এর আপগ্রেডেড কুলক্লাইন্ট ম্যালওয়ার নিয়ে সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি সূচকের বড় পতনে লেনদেন শেষ নরসিংদীতে  যুব মহিলা লীগ নেত্রী মনি গ্রেপ্তার
advertisement
সারাদেশ

মমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫।

শনিবার (২৩ মে) সকালে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডাঃ ঝন্টু সরকার।

মৃত শিশুটির বয়স ছিল সাড়ে তিন মাস। সে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার দিউ গ্রামের বাসিন্দা। ২০ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৯ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৫৬০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৪২৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে আরও পাঁচ শিশু।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে হামের লক্ষণ নিয়ে রোগী ভর্তি শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ শয্যার একটি পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাঃ গোলাম মাওলা বলেন, ‘দেশের অনেক শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। অপুষ্টির কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, আর হাম হলে সেই জটিলতা আরও তীব্র হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিশুদের জন্য হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় গুরুতর রোগীদের “বাবল সিপ্যাপ” পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।’

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ