শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রথম দিনেই দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছে ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখারপুল’ নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে নারীকে পেটালেন যুবদল নেতা শার্শায় বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবক আটক বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট - সংকট উত্তরণ নাকি গতানুগতিকতার বৃত্তে বন্দি? বাবার স্মৃতি বিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর ও হেনস্তা, ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন চলচ্চিত্র পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

রপ্তানি আয়ে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে রেকর্ড আয় করেছে বাংলাদেশ। এ মাসে ৫৩৬ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়।

এর আগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরেও ৪৯০ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। এ বছর নভেম্বরে প্রথমবারের মত এক মাসের রপ্তানি আয় ৫০০ কোটি ডলারের ঘর ছাড়ায়। এই হিসাবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৯.৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

ডিসেম্বরে ৫৪২ কোটি ১০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল সরকার। তাতে রপ্তানির অর্জন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.০৩ শতাংশ পিছিয়ে থাকল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি সোমবার হালনাগাদ যে রপ্তানি তথ্য প্রকাশ করেছে, সেখানে দেখা যায়, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে মোট ২ হাজার ৭৩১ কোটি ১২ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৫৮ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশের গত ৬ মাস মিলিয়ে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫.৫৬ শতাংশ। ৬ মাসে এ খাতে মোট রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ২৯৯ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের পণ্য। এর মধ্যে নিট পোশাক ১২৬৫ কোটি ৯৬ লাখ ডলার উভেন পোশাক এক হাজার ৩৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার এসেছে।

এর বাইরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৬৩ কোটি ৭২ লাখ ডলারের, তাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।

পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৪৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের; যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭.৬৫ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ৫৯ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

কৃষিপণ্য রপ্তানিও ২৩.২৬ শতাংশ কমেছে; এই খাত থেকে রপ্তানি হয়েছে ৫০ কোটি ১৯ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের ৬৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের কৃষিপণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।

৬ মাসে মোট ১০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়েছে প্লাস্টিক খাত। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি হয়েছিল ৭ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য।

রপ্তানির এই নতুন রেকর্ডকে ‘মিরাকল’ বলছেন পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেছেন, গত ২ মাসে রপ্তানির জন্য ক্রয়াদেশ কম থাকার পরও বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ রপ্তানি হয়েছে।

“ সারা বিশ্ব যখন টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে আছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানির আশা দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় অংকের রপ্তানি অতীতে কখনও হয়নি। রপ্তানি আয় বাড়লে দেশের ডলার সংকটও কেটে যাবে।”

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ