মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকায় আইএফআইসি ব্যাংকের আরও ২টি এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এসবিএসি ব্যাংকে বাংলা কিউআর উদ্বোধনে র‌্যালি দেশে সারের সংকট নেই, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত আছে: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি নরসিংদীতে ইটবোঝাই লরির ধাক্কায় শ্রমিক নিহত ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা আসছে ইমামের মৃত্যু, ৪ সন্তান নিয়ে রীতিমতো পানি খেয়েই দিন কাটছে অভাগী স্ত্রীর আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে গভর্নরের কঠোর নির্দেশনা
advertisement
শেয়ারবাজার

বিনিয়োগের আগে জেনে নিন ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক সম্পর্কে

রফিকুল ইসলাম (রাব্বি) : বিনিয়োগের আগে সংশ্রিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ও আনুপাতিক হার (পিই রেশিও)। একটি কোম্পানির পিই রেশিও যত কম হবে বিনিয়োগের জন্য কোম্পানিটি তত উত্তম। সাধারণত ৪০ পর্যন্ত পিই রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয়। এর উপরে গেলে অবশ্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। পিই রেশিও থেকে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিট সম্পদমূল্য (এনএভি), এটা যত বেশি বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।

জানা যায়, মার্চ ২০২৩ এ প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০ টাকা ৭০ পয়সা, জুন ২০২৩ এ দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ০ টাকা ৭৯ পয়সা এবং কোম্পানির প্রথম ৬ মাসে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা। সেপ্টেম্বর ২০২৩ এ তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ০ টাকা ৮৭ পয়সা এবং প্রথম ৯ মাসে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা। ২০২২ ইপিএস ছিল ২ টাকা ৫০ পয়সা, ২০২১ সালে ২ টাকা ৪৬ পয়সা, ২০২০ সালে ২ টাকা ৩৬ পয়সা, ২০১৯ সালে ২ টাকা ৩০ পয়সা ও ২০১৮ সালে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২০২২ সালে ২১ টাকা ৯০ পয়সা, ২০২১ সালে ২১ টাকা ৯৫ পয়সা, ২০২০ সালে ২২ টাকা ১৫ পয়সা, ২০১৯ সালে ২১ টাকা ২ পয়সা ও ২০১৮ সালে ছিল ২০ টাকা ১৫ পয়সা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০২২ সালে ২ শতাংশ নগদ, ২০২১ সালে ১২ শতাংশ নগদ, ২০২০ সালে ৭.৫০ শতাংশ নগদ ও ২০১৮ সালে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। কোম্পানিটি ২০২৩ সালে কোন লভ্যাংশ দেয়নি।

৩১-১২-২০২২ সমাপ্ত বছরের সর্বশেষ তথ্য মোতাবেক কোম্পানির রির্জাভে রয়েছে ১২০৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং কোম্পানিটির দীর্ঘ লোন ছিল ২৯০৯ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ডিএসইতি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং এর কোন তথ্য দেওয়া নেই।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কোম্পানিটি ২০০০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২০০০ এ তালিকভূক্ত হয়। কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১১৪০ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১কোটি ৪ লাখ ২৩ হাজার ৯৬ টাকা।

ডিএসই‘র তথ্য অনুযায়ী, ২৯-২-২০২৪ ইং তারিখে উদ্যোক্তা-পরিচালকের হাতে রয়েছে ৩৬.৯০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ২৩.৩৬ শতাংশ শেয়ার, বিদেশিদের হাতে রয়েছে ০.৩৭ শতাংশ শেয়ার এবং বাকি ৩৯.৩৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

গত এক বছরে কোম্পানিটির দর উঠানামা হয়েছে ১০.৮০ টাকা থেকে ১৪.০০ টাকা। আজকের এ ওপেনিং ছিল ১১.৯০ টাকা, আজকের দিনে দর উঠানামা হয়েছে ১১.৯০ টাকা থেকে ১২.০০ টাকা এবং শেষ সমাপনী ছিল ১১.৯০ টাকার মধ্যে। ২০০০ সালে পুঁজিবাজারের তালিকাভূক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক বর্তমানে এ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ