শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকবে বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট - সংকট উত্তরণ নাকি গতানুগতিকতার বৃত্তে বন্দি? বাবার স্মৃতি বিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর ও হেনস্তা, ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন চলচ্চিত্র পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক ভারতের নতুন হাইকমিশনার - একই আকাশ-বাতাস, একই জল তরঙ্গ, আমরা মিলেমিশে কাজ করব মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ মিশন শুরু, জোড়া গোল বালোগুনের ১৫০ সিসির বেশি বাইক নিবন্ধনে টিআইএন বাধ্যতামূলক
advertisement
ধর্ম-জীবন

ঘুষ দিয়ে পাওয়া চাকরির আয় হালাল না হারাম?

অনলাইন ডেস্ক : ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া হারাম কাজ। ইসলামী শরীয়তের মধ্যে ঘুষকে হারাম করা হয়েছে। নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষদাতা ও গ্রহিতাকে অভিশাপ দিয়েছেন। (সুনানে তিরমিজি: ১৩৩৭)

তাই ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়া জায়েজ নয়। এতে একদিকে ঘুষ প্রদানের গুনাহ হয়, অন্যদিকে ঘুষদাতা অযোগ্য হলে অন্য চাকরিপ্রার্থীর হক নষ্ট করারও গুনাহ হয়। তাই এই কাজ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।

তবে কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে চাকরির যোগ্য হয় এবং ঘুষ প্রদান হারাম হওয়া সত্ত্বেও ঘুষ দিয়ে চাকরি নেয় আর পরবর্তীতে সে যথাযথভাবে দায়িত্ব আঞ্জাম দেয়, তাহলে তার চাকরি নেওয়ার প্রক্রিয়া নাজায়েজ হলেও তার চাকরির বেতন হালাল হবে।

আর যদি সে তার কর্মক্ষেত্রে অযোগ্য হয় এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার জন্য ওই চাকরিতে থাকা জায়েজ হবে না, যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করে বেতন নেওয়াও জায়েজ হবে না।

উল্লেখ্য যে, ঘুষদাতা যদি নিজের কোনো ন্যায্য প্রাপ্য জিনিস বা অধিকার আদায়ের জন্য বা কারো জুলুম থেকে বাঁচার জন্য নিরুপায় হয়ে ঘুষদেয়, তাহলে সে গুনাহগার হবে না এবং ওপরে উল্লিখিত আল্লাহর রাসুলের (সা.) অভিশাপের অন্তর্ভুক্ত হবে না।

কিন্তু ঘুষ গ্রহণকারী সর্বাবস্থায় অভিশপ্ত ও মহাপাপী। দায়িত্বপূর্ণ সরকারি পদে থেকে গ্রহণ করা অনেক উপহারও ঘুষ গণ্য হয়। আবু হুমাইদ আস-সায়েদী (রা.) বলেন, নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বনু আজদ গোত্রের ইবনুল-লুতবিয়া নামের এক ব্যক্তিকে জাকাত উশুল করার দায়িত্বে নিয়োগ করলেন। তিনি জাকাত উশুল করে ফিরে এসে বললেন, এগুলো (জাকাত) আপনাদের জন্য আর এগুলো আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

এ কথা শুনে নবিজি (সা.) উঠে দাঁড়ালেন এবং মিম্বরে আরোহণ করলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করে তিনি বললেন, আপনাদের কিছু লোককে আমি ওই সব কাজের জন্য নিয়োগ দিয়েছি যেসব কাজের জন্য আল্লাহ আমাকে শাসক বানিয়েছেন। এখন এক ব্যক্তি এসে বলছেন, এটা (জাকাত) আপনাদের জন্য, আর এটা উপহার; আমাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি তার বাবা বা মায়ের বাড়িতে বসে থেকে দেখুন উপহারদাতারা তার বাড়িতে গিয়ে উপহার দিয়ে যায় কিনা!

ওই মহান সত্তার কসম! যার হাতে আমার জীবন! আপনাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই এ রকম উপহার হিসেবে কিছু গ্রহণ করবেন, তিনি তা কিয়ামতের দিন তার ঘাড়ে করে নিয়ে আসবেন; সেটা উট হলে ঘোঁৎ ঘোঁৎ করতে থাকবে, গরু হলে হাম্বা হাম্বা করতে থাকবে, ছাগল হলে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে থাকবে। (সহিহ মুসলিম)

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ