মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
দেশে এ পর্যন্ত ৫টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে : খনিজ সম্পদ মন্ত্রী সূচকের বড় পতনে লেনদেন শেষ কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আ.লীগের অপতৎপরতা মোকাবিলায় ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে ৪টি পুরস্কার জিতেছে স্যামসাং মোবাইল নড়াইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা আস্থার ধারাবাহিকতায়: টানা আট বছর AAA ক্রেডিট রেটিং মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী - শ্রমবাজার ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন
advertisement
আন্তর্জাতিক

রাজস্থানে বড় লিথিয়াম খনির সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের জন্য বিশাল সুখবর! জম্মু-কাশ্মীরের পর এবার ‘সাদা সোনা’খ্যাত লিথিয়ামের বিশাল খনির সন্ধান মিলেছে রাজস্থানে। জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জিএসআই) কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন খনিতে যে পরিমাণ লিথিয়াম রয়েছে, তা দিয়ে ভারতের ৮০ শতাংশ চাহিদাই পূরণ করা সম্ভব। সেটি হলে মূল্যবান ধাতুটির জন্য আর চীনের ওপর অতিনির্ভরশীল থাকতে হবে না তাদের। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, বৈদ্যুতিক গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির তৈরির প্রধান উপকরণ এই লিথিয়াম। বিশ্বের মোট লিথিয়ামের অর্ধেকেরও বেশি পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকার মাত্র তিনটি দেশ– আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া এবং চিলিতে। ফলে আধুনিক প্রযুক্তির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ধাতুর সরবরাহ নিশ্চিত করতে ওই তিনটি দেশের ওপর নির্ভরশীল বেশিরভাগ দেশ।

ভারত তার লিথিয়ামের চাহিদা মেটাতে পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে চীনের ওপর। ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ভারত ছয় হাজার কোটি রুপির লিথিয়াম আমদানি করেছিল, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি রুপির লিথিয়ামই নিয়েছিল চীনের কাছ থেকে।

গাড়ির ব্যাটারির প্রধান একটি উপাদান লিথিয়াম। মাস চারেক আগে ভারতে প্রথমবারের মতো লিথিয়াম খনির সন্ধান পাওয়া যায় জম্মু-কাশ্মীরে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই খনিতে ৫৯ লাখ টন লিথিয়াম রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর অনুসারে, রাজস্থানে সন্ধান পাওয়া খনিতে মজুত লিথিয়ামের পরিমাণ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আকার জম্মু-কাশ্মীরের খনির চেয়ে অনেক অনেক বড়।

ভারতের রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের ৭০ শতাংশেরও বেশি হলো টু-হুইলার, প্রধানত স্কুটার ও মোটরসাইকেল। তিন চাকার অটোরিকশা চলাচল করে আরও ১০ শতাংশ। গত বছর ভারতে নিবন্ধিত বৈদ্যুতির গাড়ির ৯২ শতাংশই ছিল এই ‍দুই ক্যাটাগরির।

ভারত সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটিতে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রয়ের ৩০ শতাংশ, বাণিজ্যিক গাড়ির ৭০ শতাংশ এবং দুই ও তিন চাকার গাড়ির ৮০ শতাংশই হবে বিদ্যুৎচালিত।

অর্থাৎ, চলতি দশকের শেষের দিকে ভারতের রাস্তায় চলাচলকারী বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা ১৩ লাখ ৯২ হাজারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে নতুন লিথিয়াম খনির সন্ধান দেশটিকে আরও সহযোগিতা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ