বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
শিরোনাম
দেশের বাজারে ফের কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? গৌরীপুরে বিজয় এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত দুই বগি উদ্ধার, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জরুরি অবস্থা জারি - ভেনেজুয়েলায় পরপর দু’বার ভূমিকম্প, ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা ভুয়া নাগরিকত্ব সনদে রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তি - প্রমাণ মিলেছে, শাস্তি মেলেনি: আলীকদমের রোহিঙ্গা ভোটার কেলেঙ্কারি প্রেমের বিয়ে, সাবেক স্বামীর ম্যাসেজে প্রাণ গেল তরুণীর বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত: বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা নিয়ে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল - ভিনির জোড়া গোলের ম্যাচে ফিরলেন নেইমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

চলতি মাসে উৎপাদনে যাচ্ছে ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বাড়াতে নরসিংদীর পলাশে নির্মিত হয়েছে এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা। আর এই সার কারখানা চলতি মাসে ২৮ জানুয়ারি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের মেগা প্রকল্পের একটি হলো এই ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা। যার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন। আর বছরে উৎপাদন হবে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। এতে করে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে নরসিংদী জেলা তথা পুরো বাংলাদেশ।

২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি উপস্থিত হয়ে এই সার কারখানাটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। কিন্তু গ্যাস সংকট ও কারিগরি জটিলতার কারণে কিছুদিন পরীক্ষামূলক উৎপাদন হয়ে পরে বন্ধ থাকে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর ১৫ জানুয়ারি সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মো. রাজিউর রহমান মল্লিক বলেন, চলতি মাসের ২৮ জানুয়ারি সার কারখানাটি পুরোদমে বাণিজ্যিকভাবে সার উৎপাদনে আসবে। এ ছাড়াও সার কারখানার ভিতরে রেললাইনের কাজ শুরু হয়েছে। টেন্ডার করার পর সার কারখানার বাইরেও রেললাইন করার কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০২০ সালের ১০ মার্চ। শেষ হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বর। নির্ধারিত তারিখের আগেই সার কারখানাটির নির্মাণ কাজ শেষ করতে সক্ষম হন কর্তৃপক্ষ। কারখানাটি উৎপাদনে এলে এখান থেকে পাওয়া যাবে বছরে ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। এতে আমদানি নির্ভরতা ৫ ভাগের ১ ভাগে নেমে আসবে। বছরে সাশ্রয় হবে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। আধুনিক আর পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হয়েছে কারখানাটি।

কারখানাটি যৌথভাবে নির্মাণ করেছেন জাপানের মিটসুবিসি হেবি ইন্ডাস্ট্রিজ ও চায়না প্রতিষ্ঠান সিসি সেভেন। এটি নির্মাণে বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ