শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোতে আমানত কমেছে ১১ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : দেশের ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে আমানত কমেছে। ডিসেম্বর প্রান্তিকে শরিয়াভিত্তিক ১০ ব্যাংকের আমানত কমেছে ১১ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা। তবে পুরো এক বছরের হিসাবে এসব ব্যাংকে আমানত বেড়েছে ১৬ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসের ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে শরিয়াভিত্তিক ১০ ব্যাংকের মোট আমানত দাঁড়ায় ৭৯ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। তিন মাস আগে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে যার পরিমাণ ছিলো ৯১ হাজার ৭৯২ কোটি। অর্থাৎ এই তিন মাসে ব্যাংকগুলোর আমানত ১১ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা কমেছে।

তবে বছরের ব্যবধানে ইসলামি ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোর মোট আমানত দাঁড়ায় চার লাখ ৯ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিলো ৩ লাখ ৯৩ হজার ১১১ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে দেশের শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়েছে ১৬ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে শরিয়াহভিত্তিক কয়েকটি ইসলামি ব্যাংকে বড় ঋণ বিতরণের অনিয়ম প্রকাশ পায়। এর ফলে এসব ব্যাংকে গ্রাহকেরা আমানত রাখা থেকে কিছুটা বিরত থেকেছে। এছাড়া যাদের টাকা ছিলো তারাও তা উঠিয়ে নেয়। এমন পরিস্থিতিতে তারল্যে টান পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৭ ইসলামি ব্যাংক টাকা ধার নেয়। এসব অস্থিরতার কারণে ডিসেম্বর প্রান্তিকে এসব ব্যাংকের আমানত কিছুটা কমেছিলো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে দেশীয় ব্যাংকের ওপর গ্রাহকদের আস্থা কমছে। এর ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে এসব ব্যাংক ৭৩ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করেছে। সেপ্টেম্বরে যার পরিমাণ ছিলো ৬৮ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই ৩ মাসে বিদেশি ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ৫ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ