শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

মালয়েশিয়ায় কমেছে পাম অয়েলের মজুদ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : গত ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়ার মোট পাম তেলের মজুদ ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমে ২১ লাখ ১০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। আগের মাসে সেখানে মজুদের পরিমাণ ২২ লাখ ৬০ হাজার টন ছিল। মালয়েশিয়ান বোর্ড (এমপিওবি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর দি স্টার।

এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে এমপিওবি জানায়, অপরিশোধিত পাম অয়েলের মজুদ ফেব্রুয়ারিতে ৭.৬৯ শতাংশ কমেছে। এ মাসে পরিমাণ ১১ লাখ ৬০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে, যা গত জানুয়ারিতে ছিল ১২ লাখ ৫০ হাজার টন। অন্যদিকে পরিশোধিত পাম তেলের মজুদও ৫.১৫ শতাংশ কমে ৯ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫১ টনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাসে ছিল ১০ লাখ ১০ হাজার টন।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে অপরিশোধিত পাম অয়েলের উৎপাদন ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে ১২ লাখ ৫০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে, যা জানুয়ারিতে ছিল ১৩ দশমিক ৮০ হাজার টন। এ সময় পাম কারনেল অয়েলের উৎপাদন ৩ লাখ ৪০ হাজার ৩৬৯ টন থেকে ৭.১০ শতাংশ কমে গেছে। তারপর তা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৯৬ টনে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পাম অয়েলের রফতানিও ফেব্রুয়ারিতে কমেছে ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। জানুয়ারিতে যেখানে এর পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৩০ হাজার টন, ফেব্রুয়ারিতে তা নেমে আসে ১১ লাখ ১০ হাজার টনে। এ সময় ওলিও-কেমিক্যালসের রফতানি বেড়েছে ৮.১৩ শতাংশ। আগে যা ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ৯৩৬ টন, এখন রফতানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮৮ টনে।

সংস্থাটি বলছে, পাম কারনেল অয়েলের রফতানি ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমে ফেব্রুয়ারিতে ৫৯ হাজার ৮৮৮ টন হয়েছে, যা তার আগের মাসেই ছিল ৬২ হাজার ১০২ টন। এর আগে জানুয়ারিতে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি দুটোই কমেছিল। ফলে দেশটিকে বিদ্যমান মজুদ থেকেই চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হয়েছে। এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে আসে। সমীক্ষায় অংশ নেয় ১১টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও বাজার বিশ্লেষক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। প্রাপ্ত তথ্যমতে, জানুয়ারিতে পাম অয়েলের মোট মজুদের পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৮০ হাজার টন, যা ডিসেম্বরের চেয়ে ০.৬৬ শতাংশ কম।

বর্তমানে মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক। মৌসুমি ঝড় ও বন্যায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন দেশটির পাম অয়েল উৎপাদকরা। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে জানুয়ারিতে দেশটিতে পাম অয়েল উৎপাদন ১৪.১ শতাংশ কমেছে। মাসভিত্তিক উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার টনে, যা এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ