নিজস্ব প্রতিবেদক : কখনো করোনা আক্রান্ত রোগীর পাশে, কখনও রক্তের প্রয়োজনে মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসা, কখনও বা বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের সাহায্যে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে চলা অদম্য এক সাহসী ছাত্রনেতার নাম আমিনুল ইসলাম সাগর।
এমন সাহসী এই রক্তযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম সাগর ব্যক্তিগত জীবনে শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত। রাজনৈতিকভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সংগঠনে।
কর্মীবান্ধব এই ছাত্রনেতার রাজনীতির হাতেখড়ি আটপাড়া থানাধীন তেলিগাতী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্যদিয়ে। কলেজ কমিটিতে তাকে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে অলংকৃত করা হয়। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজ এলাকায় সাহসের সহিত অবস্থান করে সুসংগঠিত করেছেন ছাত্রদলকে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিগত আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে কখনও পিছ পা হননি।
একদিকে দলের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচি পালন অন্যদিকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে দুরন্ত সাহস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন। চলার পথে যেমন স্নেহ ও সাহস পেয়েছেন সিনিয়র নেতাদের, তেমনি সান্নিধ্য পেয়েছেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সংগ্রামী সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী’র মতো জনপ্রিয় নেতার।
এমন অবস্থায় জনপ্রিয় এই ছাত্রনেতাকে আটপাড়া উপজেলার তেলিগাতী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে সভাপতি পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ওই কলেজে অধ্যয়নরত সাধারণ ছাত্রসহ দলের কর্মীরা।
কলেজের বিভিন্ন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের দাবি আমরা আমিনুল ইসলাম সাগরকে ছাত্রদলের সভাপতি চাই।
কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সামাজিক কর্মকাণ্ড করে আমিনুল ইসলাম সাগর সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন। আমরা সবাই তার পাশে আছি।
এক সাক্ষাৎকারে আমিনুল ইসলাম সাগর বলেন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত। পাশাপাশি আমি মনে করি রাজনীতির মানে হচ্ছে, অসহায় ও মুমূর্ষু মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। মানুষের জন্য কিছু করতে পারা। আমার কর্মকাণ্ড দেখে মানুষ যাতে বলে আমি শহীদ জিয়ার প্রকৃত আদর্শ লালন করি। তাহলেই কেবল আমার রাজনীতি সার্থক হবে।
আমিনুল ইসলাম সাগর আরও বলেন, আমি তেলিগাতী সরকারি কলেজে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী। জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের টীম মেম্বাররা আমাকে যোগ্য মনে করে দলের দায়িত্ব দেন । তাহলে আমার জীবন দিয়ে হলেও তাদের মান-মর্যাদা রাখার চেষ্টা করবো।


