স্বামী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনির স্বামী।
মেয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোর ৬টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার হতে ১২ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয় তাকে। ভোর ৬ টার দিকে কারাগার থেকে বের হয়ে পুলিশের নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে রওনা হন রাজধানী ঢাকার কলাবাগানের বাসার উদ্দেশে।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মুক্ত থাকবেন তিনি। তবে তার সাথে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলয়।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মায়ের সাথে দেখা করেন দীপু মনির মেয়ে তানি দিপাবলি। পরে মুন্সীগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর চার দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে ১৮৯৪ সালের কারাবিধি অনুযায়ী ১২ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির আদেশ দেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নূরমহল আশরাফী।
দিপু মনি পক্ষের আইনজীবি গাজী ফয়সাল জানিয়েছেন, মুক্তির পর রাজধানী ঢাকার কলাবাগানে দীপু মনি যাবেন, সেখানে মরহুমের মরদেহ থাকবে। সে বাড়িতেই দীপু মনির সাথে মরহুম তৌফিক নেওয়াজের প্রথম দেখা হয়েছিলো। পরবর্তীতে গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা ও বনানী কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে ১৯ আগস্ট বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ডা. দীপু মনিকে। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি আছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী ড. দীপু মনি।