বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয় : মাহ্দী আমিন লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু আইএফআইসি ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত আইসিএমএবিতে পরিবেশ-সামাজিক ও সুশাসন চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন এসএসসিতে অকৃতকার্য, দুইদিন পর পুকুর থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২ লাখ ৫০ হাজার র‍্যানসমওয়্যার হামলা ঠেকিয়েছে ক্যাসপারস্কি এডিবি অর্থায়িত নেসকো প্রকল্পে এডেক্স কর্পোরেশনকে ট্রান্সফরমার সরবরাহ করবে এনার্জিপ্যাক কিউআরের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট যাচাই সেবা চালু করলো এনআরবিসি ব্যাংক সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর
advertisement
জাতীয়

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। অন্য একটি টার্মিনালও দুর্ঘটনার কারণে পুরোপুরি চালু না হওয়ায় দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে লোডশেডিং বেড়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান তিনি।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্যাস পর্যাপ্ত সরবরাহ করা না গেলে পাওয়ার প্ল্যান্টে সংকট হবে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি কৌশল নেয়া হয়েছে, যা গতকাল সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এক্সিলারেট টার্মিনালটি আংশিক সক্ষমতায় চলছে। এটিকে পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে কথা বলছি। আজ দুপুরেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক আছে। কোন সময়ে টার্মিনালটি বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। এ কারণে আমরা বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কারও কিছু করার থাকে না। আমরা অসহায়, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করতে পারব এবং সেই ক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে মিটিং করেছি, টিমও সেখানে গেছে। তাদের অফার নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব বলে আশা করছি। এটি একটি মধ্যমেয়াদি সমাধান। হাতে যতগুলো বিকল্প আছে, সবগুলো নিয়েই কাজ করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে, সেটি দিনক্ষণ বেঁধে বলা সম্ভব নয়। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছে। এটি জনগণ নিশ্চয়ই বোঝেন। চেষ্টার ন্যূনতম কোনো ত্রুটি নেই। ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজির ব্যাপারে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজেনি; বরং তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে গেছে। এ কারণে হঠাৎ করে সংকট এসেছে। একটি সময়ে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তেই হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালীন সময়ে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ