শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে রয়েছে সরকার : মাহদী আমিন এনআরবিসি ব্যাংকের বরিশাল জোনের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় - ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ভিনিসিয়াসের আবেগঘন বার্তা ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র তারাকান্দায় নিখোঁজের তিন দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের মারাত্মক ঝুঁকি - জানমাল রক্ষায় দিনরাত মাঠে আনসার-ভিডিপি ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত
advertisement
জাতীয়

জুন মাসে ‘ভুতুড়ে বিলের’ পেছনে করণিক ভুল ও বাড়তি ব্যবহার: বিদ্যুৎ সচিব

সদ্য বিদায়ী জুন মাসে গ্রাহকদের অতিরিক্ত বা ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিলের পেছনে কিছু করণিক (টাইপিং বা হিসাবগত) ভুল শনাক্ত করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে এসব ভুল ইতোমধ্যে যথাযথভাবে সংশোধন ও প্রতিকার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ সচিব স্পষ্ট করেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুন মাসে বিল বৃদ্ধির পেছনে শুধু ট্যারিফ (দাম) বৃদ্ধি একমাত্র কারণ নয়। এর পেছনে মূলত তিনটি বড় কারণ রয়েছে:

বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি: গরমের কারণে জুন মাসে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল।

মূল্য বৃদ্ধি: বিদ্যুতের দাম আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।

উচ্চতর স্ল্যাব (Slab) স্পর্শ করা: ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় অনেক গ্রাহক উচ্চতর বিলিং স্ল্যাবে চলে গেছেন, যার ফলে বিলের অঙ্ক একলাফে অনেক বেড়ে গেছে।

মিরানা মাহরুখ একটি সুনির্দিষ্ট করণিক ভুলের উদাহরণ টেনে বলেন, "খাগড়াছড়িতে এক গ্রাহকের প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল ৭০ ইউনিট। কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সিস্টেমে সেটি ৭০০ ইউনিট হিসেবে ইনপুট দেওয়া হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিলটি অস্বাভাবিক আসে। এই ভুলের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং গ্রাহকের বিলটি সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।"

‘ভুতুড়ে বিলের’ অভিযোগ অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মিরানা মাহরুখ বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের নিজ নিজ বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ