রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই তৎপরতার জন্য তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তোলেন। শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনায় তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।"
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে। একই সাথে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং প্রশাসনকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভবিষ্যতেও একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সদস্যবৃন্দও এই ঘটনার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে বলে সভায় পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।