শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়ালটন হাই-টেকের ১৯০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন Price Sensitive Information of Beacon Pharmaceuticals PLC. অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়লো রংপুর কারমাইকেল কলেজে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার ওপর আইসিএসবি’র সফল সেমিনার অনুষ্ঠিত চীনা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং সেবা জোরদারে এনসিসি ব্যাংকের ‘চায়না ডেস্ক’ চালু শার্শায় শামুক বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করছেন তিন শতাধিক পরিবার ধানমন্ডিতে অ্যাপোলো হসপিটালস চেন্নাই ও অ্যাপোলো ক্লিনিকের আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সেমিনার অনুষ্ঠিত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭০তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ইআইআইএলের ৭৯তম সভা অনুষ্ঠিত
advertisement
আইন-আদালত

ময়মনসিংহে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নারী হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহ নগরের আকুয়া জুবলি কোয়ার্টার এলাকায় উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় সাথী আক্তার (৩৮) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলার রায়ে হৃদয় মিয়া (২৯) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোঃ শামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হৃদয় মিয়া আকুয়া জুবলি কোয়ার্টার এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে আকুয়া জুবলি কোয়ার্টারে সাথীর ভাড়া বাসায় হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৫টার মধ্যে হৃদয় ওই বাসার দরজায় টোকা দেন। সাথী দরজা খোলার পর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সাথীর ছোট বোন মোছাঃ শিউলি আক্তার বাদী হয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় দু'জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়।

পরে তদন্ত শেষে হৃদয়কে একমাত্র আসামি করে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান জানান, হত্যার পর ২৪ সেপ্টেম্বর হৃদয়কে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হৃদয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে মোবাইল ফোনে সাথীকে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে হৃদয়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এ নিয়ে ঘটনার আগের দিন থানায় লিখিত অভিযোগও করেছিলেন সাথী। এর জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ার আজিজ বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উদ্ধার হওয়া আলামতের ভিত্তিতে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে হৃদয়কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

তবে রায়ে সন্তুষ্ট নন আসামিপক্ষের স্বজনেরা। হৃদয়ের মামা বাবুল মিয়া বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।

অন্যদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত সাথীর বোন ও মামলার বাদী মোছা. শিউলি আক্তার। তিনি দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ