বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
তৃতীয় প্রান্তিকে ভিসা’র নিট রাজস্বে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করল মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী তাহসিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর উদ্যোগের জন্য বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেল বাংলালিংকের রাইজ ময়মনসিংহে স্বামী হত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীর যাবজ্জীবন চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা ১ আগস্ট শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

শ্রীমঙ্গলের নাগা মরিচের ঝাঁঝ দেশ পেরিয়ে প্রবাসেও

তিমির বনিক, ষ্টাফ রিপোর্টার: লাভজনক হওয়ায় এখন নাগামরিচ চাষে ঝুঁকছেন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের চাষিরা। বর্তমানে এখানকার চাষিদের চাষকৃত নাগামরিচের চাহিদা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও রয়েছে। চলতি বছর এই অঞ্চলে লেবু, আনারস, কাকরোল ও করলার পাশাপাশি চাষিরা নাগামরিচ চাষে ব্যস্ত রয়েছেন। ছোট ও বড় আকারে বাণিজ্যিকভাবে এই নাগামরিচের চাষ করা হচ্ছে।

লাভজনক হওয়ায় উপজেলার দিলবরনগর, মোহাজেরাবাদ, বিষামনি, রাধানগর এবং ডলুছড়া এলাকার চাষিরা এই মরিচের চাষ করছেন। বর্তমানে চাষিরা জমি থেকে মরিচ সংগ্রহ করে তা স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করছেন। অনেকে আবার লেবু গাছের নিচে ও বাড়ির আশেপাশের পতিত জমিতে এই মরিচের চাষ করছেন।

চাষিরা বলেন, এই জাতের মরিচগুলো সুগন্ধি ও ঝালে ভরপুর। ঝাল প্রিয় মানুষদের এই মরিচ প্রথম পছন্দের। এখানকার উৎপাদিত নাগামরিচ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের যারা ইউরোপে বসবাস করেন তারা দেশের সাতকরা ও নাগামরিচের আচার খেতে পছন্দ করেন। তাই এখানকার কৃষকরা নাগামরিচ চাষ আগ্রহী হচ্ছেন। এছাড়াও শ্রীমঙ্গলের নাগামরিচ রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।

মোহাজেরাবাদ এলাকার কৃষক আলমগীর মিয়া বলেন, আমি গত বছর ১ হাজার নাগামরিচের চারা লাগিয়ে ছিলাম। এই মরিচের চাষে ৭২ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। এর সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে বেশি ফলন পাওয়া যায় এবং লাভবানও হওয়া যায়। আর প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করেছি।

রাধানগর এলাকার চাষী শামিম মিয়া বলেন, আমি গত বছর ১৫০০ মরিচের চারা রোপন করে লাভ করেছিলাম। তাই এবছর ৩ হাজার চারা লাগিয়েছি। আশা করছি এবারও লাভ করতে পারবো। গত বছর ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করেছি।

মৌলভীবাজার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই জেলায় দিন দিন নাগামরিচের চাষ বাড়বে। পাহাড়ি টিলাগুলোকে এই মরিচ চাষের উপযোগি করে তুলতে হবে। এছাড়াও বর্তমানে এখানকার উৎপাদিত নাগামরিচ দেশের বিক্রির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ