বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
তৃতীয় প্রান্তিকে ভিসা’র নিট রাজস্বে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করল মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী তাহসিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর উদ্যোগের জন্য বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেল বাংলালিংকের রাইজ ময়মনসিংহে স্বামী হত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীর যাবজ্জীবন চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা ১ আগস্ট শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

‘সরকারকে বেশি ঋণ দিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে’

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে অধিকাংশ ঘাটতি ব্যাংক খাত থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারকে বেশি ঋণ দিলে মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (আরএপিআইড) চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (৭ জুন) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত বাজেট পরবর্তী এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমানে আমাদের বড় সমস্যা মূল্যস্ফীতি। এটির চাপ গত বছর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু থেকেই বাড়ে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের বর্তমানে পাওয়ার ক্রাইসিস রয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন বাজেটে উচ্চ প্রবৃদ্ধি (৭.৫%) ধরা হয়েছে। যা বাস্তবায়ন করতে গেলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক যদি সরকারকে বেশি পরিমাণে ঋণ দেয় তাহলে মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, এই বাজেটের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই সাধারণ মানুষকে কিছু সুবিধা দেওয়া উচিত। প্রতিবছরই বাজেটের পুরোটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। চলতি বছরেও একটা ঘাটতি থাকবে। ডলার সংকটে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এতে আমদানি কমলেও অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। আসন্ন বাজেটে প্রধান চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, কারেন্ট একাউন্ট ব্যালেন্সের উন্নতি করা এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ রেট স্থিতিশীল করতে হবে। এছাড়া সুদের হার বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। যেসব দেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, মুদ্রাস্ফীতির সময় সরকারের উচিত ভেবে-চিন্তে খরচ করা। এ সময় প্রবৃদ্ধি অর্জন করার কথা ভাবলে চলবে না। মুদ্রাস্ফীতির সময় প্রবৃদ্ধি অর্জনের কথা ভাবা আগুনে ঘি ঢালার মতো। বাজেট আমদেরকে পরবর্তী বছরের খরচের একটা ভিশন দেয়। আর এই মুহূর্তে বৈষম্য বেড়েছে দেশে। তাই এই মুহূর্তে প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো উচিত। আর এবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ