বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আইপিও ব্যবস্থাপনায় ইউসিবি ইনভেস্টমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নতুন সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্ত এসিআইয়ের Price Sensitive Information of Advanced Chemical Industries PLC জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিকাশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর ৬০ কর্মদিবসে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৩,০০৩ কোটি টাকার নতুন আমানত সংগ্রহ সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ দেশীয় ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর যশোরে এমপি গোলাম রসুলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ফেসবুকে নতুন রেকর্ড - সাকিবকে পেছনে ফেলে শীর্ষে পরীমণি
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.২৪ শতাংশ

সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। এই মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.২৪ শতাংশ। মার্চে এর হার ছিল ৯.৩৩ শতাংশ।

বুধবার (৩ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সর্বশেষ মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের তথ্য থেকে মূল্যস্ফীতি কমার কথা জানা গেছে।

সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দুই অংকের কাছাকাছি ছিল। মার্চের মতোই এপ্রিলেও এই মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৭২ শতাংশ। আর খাদ্যে মূল্যস্ফীতি মার্চের ৯.০৯ শতাংশ থেকে কমে এপ্রিলে হয় ৮.৮৪ শতাংশ।

গত বছরের এপ্রিলে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.২৯ শতাংশ। এর পর আগস্টে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি ছিল। ওই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে সর্বোচ্চ ৯.৫২ শতাংশে উঠেছিল।

সরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে জিনিসপত্রের দামে কোনো স্বস্তি নেই। বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে বলে ভোক্তারা অভিযোগ করছেন। অনেক পণ্য সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে খোলা চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কেজিতে ১০৪ টাকা আর প্যাকেটজাত চিনির দাম কেজিতে ১০৯ টাকা বেঁধে দিয়েছিল সরকার। তবে রমজান মাসে ক্রেতাদের ১২০-১২৫ টাকা কেজি দরে চিনি কিনতে হয়েছে। এই সপ্তাহে ঢাকায় প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিবিএসের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ গ্রামের তুলনায় এখন শহরের মানুষের ওপর বেশি। এপ্রিলে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬৮ শতাংশ। এই মাসে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৯২ শতাংশ।

শহরে এপ্রিলে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি ৯.৯৬ শতাংশ ছিল। আর শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.১০ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৭৮ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৩৩ শতাংশ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ