শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী - দেশের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম খাতে জেএমআইয়ের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয় ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডে ৩০০ টাকা কর প্রত্যাহার - সরকারের রাজস্ব কমছে ১২০০ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক রেকর্ড বাজেটে বড় ঘোষণা: - সারা বছরই দেওয়া যাবে রিটার্ন, আগে দিলে ছাড় ও দেরিতে জরিমানা জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের আবাসনে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা ২০২৬-২৭ অর্থবছর: - শিক্ষাখাতে রেকর্ড ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব ৬ শিশুর মৃত্যু - আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

বাংলাদেশ সময়মতো আইএমএফের কাছে না গেলে বড় ধরনের বিপর্যয় হতো

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান কৌশিক বসু বলেন, সময়মতো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ঋণের জন্য গেছে বাংলাদেশ। সময়মতো আইএমএফের কাছে না গেলে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারতো। শ্রীলঙ্কা তা পারেনি, সে জন্য তারা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ‘বাঙলার পাঠশালা’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ কথা বলেন। উন্নয়ন নীতি নিয়ে ওই আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম

সাংবাদিকেরা কৌশিক বসুর কাছে নানান বিষয়ে মতামত জানতে চান, যার মধ্যে একটি ছিল আইএমএফের কাছ থেকে নেওয়া ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ ও ঋণের শর্ত প্রসঙ্গ।

আইএমএফের শর্তের কারণে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে হয়। এতে মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এ প্রসঙ্গে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সারা জীবন এই ভর্তুকি দেওয়া যাবে না। আবার সাধারণ মানুষ সবচেয়ে অরক্ষিত, তাদের কথা ভাবতে হবে, সংস্কারও করতে হবে।

আইএমএফের শর্তের প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালে ভারতের একটি ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে ১৩ দিনের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো অবস্থা ছিল। সেই অবস্থায় ভারত আইএমএফের দ্বারস্থ হয়। তারা সহায়তা করে। তবে ভারত তখন খুব ভালোভাবে সংস্কার করেছে। দুই বছর পর ভারত আইএমএফকে বলল, বাকি অর্থের প্রয়োজন নেই।

এ সময় কৌশিক বসু বলেন, বাংলাদেশের পক্ষেও ভালোভাবে সংস্কার করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ভর্তুকি প্রত্যাহার করা হলে সাধারণ মানুষের জন্য আপদকালীন সাহায্য করতে হবে। তাহলে তারা মনে করবে, সরকার তাদের জন্য কিছু করছে। অর্থাৎ ভারসাম্য রাখতে হবে। বাংলাদেশের কর-জিডিপির অনুপাত (মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির বিপরীতে কর আদায়ের অনুপাত) ১৪-১৫ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব- যা এখন ১০ শতাংশের নিচে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ