রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
দুর্গাপূজায় বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান উদ্বোধনী দিনে ‘কৃষক কার্ড’র প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ কৃষক সার ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ তদারকিতে কন্ট্রোল রুম গঠন হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শীতলক্ষ্যায় গোসলে নেমে নারী-শিশুসহ নিখোঁজ ৪ কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন ২০০ জনকে নিয়োগ দেবে আবুল খায়ের গ্রুপ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

মূলধন ঘাটতি ও তারল্যসংকট

৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ ও বিনিয়োগ এবং তারল্যসংকটসহ নানা কারণে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর (নন-ভায়াবল) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অকার্যকর ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। রেজল্যুশন কার্যক্রম সুষ্ঠু, কার্যকর ও নির্বিঘ্নভাবে বাস্তবায়ন এবং আমানতকারীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অকার্যকর ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করে তাদের অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে এসব প্রতিষ্ঠানে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকর হয়ে পড়ার পেছনে বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ বা বিনিয়োগ, তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতা, আয়ক্ষমতার অবনতি এবং আমানতকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধে অক্ষমতার মতো কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আর্থিক খাতে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, আমানতকারী ও অন্যান্য পাওনাদারের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আর্থিক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আমানতকারী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণে কার্যকর অগ্রগতি হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ