শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে মেঘনা ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি ব্যস্ত কর্মজীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনবে আল্ট্রা ওয়াইড ওডিসি মনিটর পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে দুই তলা থেকে লাফিয়ে পালাল আসামি দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী সংসদে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী - মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুব শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী - তিন বছরে বন্ধ হয়েছে ৪ শতাধিক পোশাক কারখানা কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর আইএফআইসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট : সরকারের ব্যর্থতা, নাকি সাবোটাস ! দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

মূলধন ঘাটতি ও তারল্যসংকট

৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ ও বিনিয়োগ এবং তারল্যসংকটসহ নানা কারণে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর (নন-ভায়াবল) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

অকার্যকর ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। রেজল্যুশন কার্যক্রম সুষ্ঠু, কার্যকর ও নির্বিঘ্নভাবে বাস্তবায়ন এবং আমানতকারীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অকার্যকর ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করে তাদের অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে এসব প্রতিষ্ঠানে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকর হয়ে পড়ার পেছনে বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ বা বিনিয়োগ, তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতা, আয়ক্ষমতার অবনতি এবং আমানতকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধে অক্ষমতার মতো কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আর্থিক খাতে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, আমানতকারী ও অন্যান্য পাওনাদারের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আর্থিক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আমানতকারী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণে কার্যকর অগ্রগতি হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ