মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আইপিও ব্যবস্থাপনায় ইউসিবি ইনভেস্টমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নতুন সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্ত এসিআইয়ের Price Sensitive Information of Advanced Chemical Industries PLC জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিকাশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর ৬০ কর্মদিবসে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৩,০০৩ কোটি টাকার নতুন আমানত সংগ্রহ সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ দেশীয় ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর যশোরে এমপি গোলাম রসুলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ফেসবুকে নতুন রেকর্ড - সাকিবকে পেছনে ফেলে শীর্ষে পরীমণি
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা সচল রাখতে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন (১ লাখ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আর এই লক্ষ্য অর্জনে একটি ন্যায়সংগত, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের এই মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা তুলে ধরেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে তা আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। তিনি উল্লেখ করেন, এসব লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জনের জন্য একটি আধুনিক, ব্যবসাবান্ধব, পূর্বানুমানযোগ্য এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন।

কর ব্যবস্থার আধুনিকায়নের বিষয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যাপক কম্পিউটারাইজেশন বা নথি ডিজিটালাইজেশন এবং কর ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ কর প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রস্তাবিত বাজেটের মূল বৈশিষ্ট্যের ওপর আলোকপাত করে তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে কর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অপ্রয়োজনীয় নিয়মকানুন দূরীকরণ এবং করদাতাদের ওপর কমপ্লায়েন্সের (নিয়ম পালনের) বাড়তি বোঝা কমিয়ে ব্যবসা পরিচালনা (ইজ অব ডুয়িং বিজনেস) আরও সহজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, কর প্রশাসনের এই সংস্কারগুলো কেবল রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্যই নয়, বরং বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগের সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে। যা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ