শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
1st Quarter Financial Statements of Shinepukur Ceramics Ltd. নভেম্বরে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য - প্রাথমিকে ৯৩, মাধ্যমিকের ৫৭ শতাংশ বই ছাপা শেষ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু হ্যান্ডহেল্ড গার্মেন্ট স্টিমারসহ নতুন পার্সোনাল কেয়ার ডিভাইস আনল শাওমি ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৭ প্রাণহানি, পলাতক সেই বাসচালক গ্রেফতার আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৪৭১তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত ইয়াবা গায়েবের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
advertisement
সারাদেশ

যমুনার ভাঙনে বিলীন ৩০ মিটার বাঁধ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের প্রভাবে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে যমুনার ডান তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে হঠাৎ করেই বাঁধের একটি অংশ ধসে নদীতে পড়ে যায়। ভাঙনের ফলে আশপাশের ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগে বালুভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করেছে।

বাহুকা গ্রামের বাসিন্দা মোক্তাল হোসেন জানান, শনিবার দুপুরে তিনি বাঁধসংলগ্ন জমিতে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে পড়তে শুরু করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বড় একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরে বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়।

স্থানীয় মজিবুর রহমান বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও জমিজমা নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, এর আগে ভাঙনের কারণে তার বাড়িঘর ও সম্পত্তির অনেকটাই নদীগর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে তিনি বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় তিনি চরম উদ্বেগে রয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, গত ৮ জুন থেকে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। মাঝে মাঝে পানি কমলেও সামগ্রিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি স্বাভাবিক বিষয়। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানির উচ্চতা ২ সেন্টিমিটার বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, জিও ব্যাগে বালুভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাঁর মতে, বর্তমানে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ