সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক: হুমায়ুন কবির সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ১৫তম সভা অনুষ্ঠিত ৪৪টি হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার: সৃজিত হলো ৩৯৬টি নতুন পদ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে ১১৪ শূন্যপদে নিয়োগের ছাড়পত্র প্রদান বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিএসবি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া : শিক্ষামন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা প্রতি মাসের ২০-২৫ তারিখের মধ্যে নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক ক‌রল দূতাবাস তাড়াশে মাজারসংলগ্ন মসজিদ থেকে ঐতিহাসিক পাথর চুরির অভিযোগ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

সংশ্লিষ্টদের অবহেলায় সুন্দরবনের মধুর জিআই নিয়ে গেছে ভারত: সিপিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছন, সুন্দরবনের আয়তন ও মধু উৎপাদন সবই বাংলাদেশ অংশে বেশি থাকা সত্ত্বেও নিজেদের পণ্য হিসেবে মধুর আন্তর্জাতিক ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ বা জিআই সনদ পায়নি বাংলাদেশ। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বহীনতা বা উদাসীনতার কারণে ভারত এককভাবে হাতিয়ে নিয়েছে মধুর জিআই সনদ।’

আজ বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে ‘সুন্দরবনের মধু এখন ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য’ শীর্ষক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

দেবপ্রিয় বলেন, ভারতে যখন ঘোষণা হয়েছে তখন আমাদের সময় ছিল আপত্তি দেওয়ার কিন্তু দেয়নি। এর আরও একটা কারণ আছে সেটা হলো, যারা মধু উৎপাদন করেন তারা দুর্বল। তাদের কণ্ঠও দুর্বল তাই, এগুলো স্থান পায় না। আমাদের প্রশাসনেও দক্ষ মানুষ খুবই কম। বিদেশে যারা বৃত্তি নিয়ে পড়ালেখা করছে তারা অধিকাংশই আমলা কর্মচারী, কিন্তু বাস্তবে এই শিক্ষা কতটুকু কাজে লাগছে?

ভারতের এককভাবে মধুর জিআই সনদ নেওয়া প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এটাকে নজরদারি করা হয় না। প্রশাসন বা আইন মন্ত্রণালয় কখনো এটা নিয়ে আলোচনা করেনি। তারা এসব বিষয় নিয়ে কখনো আলোচনা করেছেন কেউ বলতে পারবে না। তারা কখনো টাঙ্গাইল শাড়ি ও সুন্দরবনের মধু নিয়ে আলোচনা করেনি। কারণ এরা পিছিয়ে পড়া মানুষের অংশ। শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে না।

তিনি আরও বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ও এটা নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি। ব্যবসায়ী সমিতিও এটা নিয়ে আলোচনা করেনি। ব্যবসায়ীরা শুধু তুলেছে কালো টাকা সাদা করতে হবে, মধুর জিআই সনদ তাদের কাছে বড় সমস্যা নয়। জিআই সনদ না হলে পণ্যের বাণিজ্যক দাম কীভাবে হবে? এটা অজানা, সবার ভূমিকা নিতে হবে যাতে করে মধুর জিআইটা সামিট লেভেলে নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের বিষয়টি অবিলম্বে বাতিলের পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি দাবিও জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা। ব্রিফিং সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ