বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
মেঘনা ব্যাংকের কোম্পানীগঞ্জ উপশাখার উদ্বোধন টেকনাফে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ে সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত পদ্মা ব্যারেজ, দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ৬ ঘণ্টা টোল ফ্রি ৪ দিন গ্যাস থাকবে না এমন খবর গুজব, বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান পেট্রোবাংলার তাহসিফ সাউরির বন্ধু দীপ ফের ৩ দিনের রিমান্ডে স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি
advertisement
শেয়ারবাজার

বিনিয়োগের আগে জেনে নিন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো সম্পর্কে

মো: মাহিদুল ইসলাম ।। বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ও আনুপাতিক হার (পিই রেশিও)। একটি কোম্পানির (পিই রেশিও) যত কম বিনিয়োগের জন্য কোম্পানিটি তত উত্তম। সাধারনত ৪০ পর্যন্ত পিই রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয় এর উপরে গেলে অবশ্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। পিই রেশিও থেকে আর ও বেশি গুরুত্বর্পূণ হচ্ছে নিট সম্পদ মূল্য (এনভি), এটা যত বেশী বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের সমাপ্ত বছরের কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৩.১১ টাকা যা ২০২২ সালে ছিল ৩৩.১০ টাকা, ২০২১ সালে ছিল ২৭.৭২ টাকা, ২০২০ সালে ছিল ৬০.৪৮ টাকা ও ২০১৯ সালে ছিল ৫১.৩৭ টাকা।

কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২০২৩ সালে ৯৯.৩৩ টাকা যা ২০২২ সালে ছিল ৭৬.২৭ টাকা, ২০২১ সালে ছিল ৬৮.১৩ টাকা, ২০২০ সালে ছিল ১৮৮.৮৯ টাকা ও ২০১৯ সালে ছিল ১৯৮.৮৫ টাকা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০২৩ সালে নগদ ১০০ শতাংশ, ২০২২ সালে নগদ ২০০ শতাংশ, ২০২১ সালে নগদ ২৭৫ শতাংশ, ২০২০ সালে নগদ ৬০০ শতাংশ ও ২০০ শতাংশ স্টক, ২০১৯ সালে ৪০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কোম্পানিটি ৫৪০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ১৯৭৭ সালে তালিকাভূক্ত হয়েছে। কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ৫৪০ কোটি টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার ৫৪ কোটি এবং রিসার্ভ অ্যান্ড সারপ্লাসে ছিল ৪ হাজার ৮২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

ডিএসই’র তথ্য অনুযায়ি ৩০ নভেস্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে রয়েছে ৭২.৯১ শতাংশ শেয়ার, সরকারি বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে .৬৪ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে শতাংশ ১৩.৮০ শেয়ার, বিদেশি বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ৪.৫৮ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ৮.০৭ শতাংশ শেয়ার।

তথ্য অনুসারে, গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার দর উঠানামা হয়েছে ৩১৫ টাকা থেকে ৫১৮.৭০ টাকার মধ্যে। গতকাল সমাপনি দর ছিল ৩৬৮.৬০ টাকা। ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে কোম্পানিটি বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ