বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
advertisement
শেয়ারবাজার

নিরীক্ষকের মতে, মুন্নু ফেব্রিক্সে ২৮ কোটি টাকার ভূয়া সম্পত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মুন্নু ফেব্রিক্স কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে ভূয়া সম্পত্তি দেখিয়ে আসছে। যার পরিমাণ ২৮ কোটি টাকারও বেশি। এর মাধ্যমে প্রতারণা করছে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে। এ ছাড়াও শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য (কোয়ালিফাইড ওপিনিয়িন) করেছেন নিরীক্ষক।

নিরীক্ষক জানিয়েছেন, মুন্নু ফেব্রিক্স কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে নগদ প্রণোদনা (ক্যাশ ইনসেনটিভ) পাওয়া যাবে বলে আর্থিক হিসাবে ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়ে আসছে। কিন্তু ওই প্রণোদনার বিস্তারিত তথ্য, বছরভিত্তিক প্রণোদনার পরিমাণ ও সত্যতা যাচাইয়ের মতো কোন ডকুমেন্টস পায়নি নিরীক্ষক।

এদিকে কয়েক বছর ধরে সরকারের কাছ থেকে আয়কর ফেরত পাওয়া যাবে বলে হিসাবে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়ে আসছে মুন্নু ফেব্রিক্স কর্তৃপক্ষ। এই সম্পদেরও কোন বিস্তারিত তথ্য ও সত্যতা যাচাইয়ের মতো কোন ডকুমেন্টস নেই।

একইভাবে কয়েক বছর ধরে সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়ে আসছে মুন্নু ফেব্রিক্স। যার মধ্যে ১ কোটি ৫ লাখ টাকার কোন ডকুমেন্টস নেই। এছাড়া আর্থিক হিসাবে দেখানো ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার অগ্রিম লীজ প্রিমিয়ামের কোন ডকুমেন্টস পায়নি নিরীক্ষক।

এই কোম্পানিতে ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ডে (ডব্লিউপিপিএফ) ৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা রয়েছে। এরমধ্যে আগের ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা অন্তর্ভূক্ত আছে।

কিন্তু ২০০৬ সালের শ্রম আইনের ২৩২ ধারা অনুযায়ি, অর্থবছর শেষ হওয়ার ৯ মাসের মধ্যে ফান্ড বিতরনের বিধান রয়েছে। কিন্তু ওই ফান্ড কর্মীদের মধ্যে বিতরণ না করে তাদেরকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন মুন্নু ফেব্রিক্স কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ওই ফান্ডের বিপরীতে সুদও গণনা করে না বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া মুন্নু ফেব্রিক্সের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১১৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৫৯.৩২ শতাংশ।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ