বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি : আইনমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফল জালিয়াতির মামলায় পুলিশের চার্জশিটে বড় গরমিল ঢাকায় আইএফআইসি ব্যাংকের আরও ২টি এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এসবিএসি ব্যাংকে বাংলা কিউআর উদ্বোধনে র‌্যালি দেশে সারের সংকট নেই, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত আছে: তথ্য উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জরিমানা ছাড়া গাড়ির কাগজপত্র নবায়নের শেষ সময় ২৯ অক্টোবর
advertisement
রাজনীতি

নোয়াখালী-২ আসনে নৌকার প্রার্থীকে হত্যার হুমকি

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মোরশেদ আলমকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনায় নৌকার প্রার্থী আলহাজ মোরশেদ আলম লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এর আগে, গত শুক্রবার ২২ ডিসেম্বর দুপুরে সেনবাগের ছমির মুন্সির হাটে এক অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক এ হুমকি দেন।

জানা গেছে, মানিক নৌকার বিরোধিতা করে সতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান মানিকের কাঁচি প্রতীকের পক্ষে কাজ করছেন। গত শুক্রবার দুপুরে নিজের অনুসারীদের নিয়ে কাঁচি প্রতীকের সমর্থনে নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক মহিলা কলেজে’ এক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় মোরশেদ আলমকে রক্তাক্ত করে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন জাহাঙ্গীর আলম মানিক। এ ধরনের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

নৌকার প্রার্থী আলহাজ মোরশেদ আলম অভিযোগ করে বলেন,লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আমি হলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং শেখ হাসিনার নৌকার প্রার্থী। আমার সাধারণ সম্পাদক নৌকার জন্য কাজ না করে স্বতন্ত্রের জন্য কাজ করছে। সে আমাকে রক্তাক্ত করে বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আমি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিকের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ যাচাই করে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ