বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
Price Sensitive Information of People's Leasing and Financial Services Ltd. জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু বিএফআইইউয়ের প্রতিবেদন - শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকা অবরুদ্ধ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত আইসিএসবি কর্তৃক ‘অর্থ আইন ২০২৬’ শীর্ষক সিপিডি আয়োজিত সংসদে শিক্ষামন্ত্রী - প্রতিকূল আবহাওয়ায় অংশগ্রহণ করতে না পারা শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগ সংসদে প্রধানমন্ত্রী - বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবে সরকার ভালুকায় দলিল লেখক হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন ন্যাশনাল লাইফের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা প্রথমবার একসঙ্গে আরিফিন শুভ-কেয়া পায়েল
advertisement
রাজনীতি

শিক্ষকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু ২০২৫ সালে: সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় আগামী বছর থেকে চালু হবে। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ছিল। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সবাই যুক্ত হবেন ২০২৫ সালের ১ জুলাই।

শনিবার (১৩ জুলাই) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে পেনশনে যোগদানের বিষয়ে তথ্য ছিল, সেটা সঠিক না। তাঁদের তিনটা দাবির মধ্যে এটাও একটা দাবি। সবার মতো তাঁরাও ২০২৫ সালের ১ জুলাইয়ে যোগ দেবেন এটা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩ জন শিক্ষকনেতা এসেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একটা বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি মিটেছে। অচিরেই সমস্যার সমাধান হবে।

শিক্ষকদের সুপার গ্রেড ও স্কেল প্রদানের বিষয়টি আলোচনা হবে এবং তাঁদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

শিক্ষকদের কর্মবিরতি কর্মসূচি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা সাংগঠনিকভাবে ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তবে শিক্ষকদের সব দাবি চট করে মানা যাবে না, সরকারেরও যুক্তি আছে। তাদের দাবি যুক্তিসংগত হলে বিবেচনা করা হবে।

বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি নিজামুল হক ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সন্তোষজনক বৈঠক হয়েছে। কর্মবিরতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর জানানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কোটা নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী। গত কয়েক বছর কোটা না থাকায় সরকারি চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ হতাশাজনক। পিছিয়ে পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও।

ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

এর আগে, সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিম বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ