বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নিখোঁজের তিন দিন পর পরিত্যক্ত পুকুর থেকে  কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনা - সদ্যজাত সন্তানকে রেখে না ফেরার দেশে সৈনিক পিয়াস এসবিএসি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিএমএসএমই খাতের পুনঃঅর্থায়নে যুক্ত সংসদে প্রধানমন্ত্রী - ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, সমীক্ষা-ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী - সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গণপরিবহনে জিপিএস চালুর উদ্যোগ তামাকমুক্ত পরিবহন নিশ্চিতের দাবি - গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার আড়াই কোটি মানুষ স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য করতে কমিশন বদ্ধপরিকর: সিইসি ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ আইসিএবি ও আইসিএমএবি’র  জয়েন্ট কলাবোরেশন ফ্রেমওয়ার্ক স্বাক্ষর বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি
advertisement
জাতীয়

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যা প্রয়োজন, সরকার সব করেছে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিচার না পাওয়ার যন্ত্রণা কী তা আমরা বুঝি, তাই সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, বর্তমান সরকার এর সব করেছে।

সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজের সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা যাবে না, সেই আইনও হয়েছিল এ দেশে। ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে জাতির পিতা হত্যার বিচার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। দেশি-বিদেশি সব বাধা উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করেছি।’

বাংলাদেশে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, উচ্চ আদালতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার রায় ঘোষণার মাধ্যমে সেটা দূর হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালের নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, আইনের শাসন আমরা নিশ্চিত করব। বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করব। কারণ, আমরাই ভুক্তভোগী। বিচার পাওয়ার অধিকার আমরা হারিয়েছিলাম। আমরা যখন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছিলাম সেখানে অনেক বাধা এসেছিল। সেই বাধা অতিক্রম করে, সেই অর্ডিনেন্স বাতিল করে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের হত্যার বিচারের কাজ শুরু করি। বিচারের রায় যেদিন দেওয়ার কথা সেদিন বিএনপি-জামায়াত হরতাল ডেকে ছিল। যাতে জজ সাহেব কোর্টে যেতে না পারেন, রায় দিতে না পারেন। তাছাড়া তার ওপরে অনেক জুলুম অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি অত্যন্ত সাহসী একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি কোনো কিছু মানেননি। সেই রায় গোলাম রসুল সাহেব দিয়ে যান।‘

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি। আবার বিচার শুরু হয়। তখনও অনেক বাধা আমাদের ছিল। যা হোক আল্লাহর রহমতে বিচার করে সেই রায় আমরা পেয়েছি, রায় কার্যকর করা হয়েছে। কিছু এখনও ফিউজিটিভ আছে। অনেকের খবর আমরা জানি।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘ডিসেম্বর মাস আমাদের বিজয়ের মাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা বিজয় পেয়েছি, স্বাধীনতা পেয়েছি, স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছিলাম।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘যারা বিচার করবে তাদের নিরাপত্তা, তাদের কাজ করার সুবিধা যাতে হয় সেদিকে আমাদের বিশেষ দৃষ্টি আছে। সুপ্রিম কোর্টে বিজয় ৭১ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামসহ অন্যান্য অবকাঠামো করে দিয়েছি। আমরা সেটাই চাই যে, যারা বিচার করবেন এবং যারা বিচার চাইতে আসবে, সকলে যেন একটা সুষ্ঠু পরিবেশ পায়। ভালো পরিবেশ পেলে চিন্তা করারও একটা সুযোগ হয়। সঠিক চিন্তা করেই বিচার করতে হয়। এটা একটা কঠিন কাজ। কাজে সেই কাজটা যেন সহজ হয় সেই ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব।’

বিচারকরাও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জানিয়ে তিনি ঝালকাাঠি ও গাজীপুরে বিচারকের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সারা বিশ্ব যখন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদে একেবারে বিধ্বস্ত, বাংলাদেশে কিন্তু একটাই ঘটনা ঘটেছে। সেই হোলি আর্টিসান।’

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার।

আরও পড়ুন:

মেট্রোরেল দিনে চলবে ৪ ঘণ্টা

গণমানুষের আস্থা-বিশ্বাসই আ.লীগের সবচেয়ে বড়ো শক্তি : প্রধানমন্ত্রী

সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ