বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নিখোঁজের তিন দিন পর পরিত্যক্ত পুকুর থেকে  কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনা - সদ্যজাত সন্তানকে রেখে না ফেরার দেশে সৈনিক পিয়াস এসবিএসি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিএমএসএমই খাতের পুনঃঅর্থায়নে যুক্ত সংসদে প্রধানমন্ত্রী - ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, সমীক্ষা-ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী - সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গণপরিবহনে জিপিএস চালুর উদ্যোগ তামাকমুক্ত পরিবহন নিশ্চিতের দাবি - গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার আড়াই কোটি মানুষ স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য করতে কমিশন বদ্ধপরিকর: সিইসি ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ আইসিএবি ও আইসিএমএবি’র  জয়েন্ট কলাবোরেশন ফ্রেমওয়ার্ক স্বাক্ষর বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি
advertisement
জাতীয়

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ইলেকট্রিক ট্রেন, সমীক্ষা-ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ

দেশের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দ্রুত ও আধুনিক করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন (বুলেট ট্রেন) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্ন ছিলো, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক (বুলেট ট্রেন) ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা; থাকলে কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে?

উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের নিমিত্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকা হতে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব হ্রাস পাবে এবং গড় গতি বৃদ্ধি পাবে। তাই অল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।’

সরকার ঢাকা হতে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী- আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। তন্মধ্যে, লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আশা করি এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা এবং ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে।’

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ