বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
গেজেট জারি - ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - ৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা রিয়াদের সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড - প্রথম দফায় দেশে ফিরল ৯ প্রবাসীর মরদেহ এপেক্সের নতুন পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ, সাত মাসেই মিশবে মাটিতে আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও এবিসি রিয়েল এস্টেটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত নেপাল - সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত মক্কা প্যাক্টে যোগ দেয়া বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
advertisement
জাতীয়

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা

পুলিশ বাহিনীর জনবল সংকট দূর করতে এবং কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নতুন ১৮ হাজার পদ সৃজনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), ৪ হাজার সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, পুলিশের জনবল বৃদ্ধি সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা হলো— নতুন ৪ হাজার এসআই (নিরস্ত্র), ৪ হাজার সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজন করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই পদসমূহ সৃজিত হলে রংপুর জেলাতেও জনবল বৃদ্ধি পাবে।

তিনি জানান, পুলিশের যানবাহন প্রদান সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা নিম্নরূপ: আগামী ৫ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন ও জলযানের ঘাটতি রাজস্ব বাজেটের মাধ্যমে ক্রয়পূর্বক পূরণ করা।

যানবাহনের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে যানবাহনের ঘাটতি পূরণ করা।

নবসৃষ্ট ইউনিট, জনবল এবং কাজের পরিধি বিবেচনায় টিওএন্ডইতে যানবাহন ও জলযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।পর্যায়ক্রমে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটসমূহে প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহ করা।

পুলিশকে নৈতিক প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা, সে বিষয়ে একটি সম্পূরক প্রশ্ন করেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিন। এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি বৃহৎ একটি বিষয়। প্রতিটি একাডেমিতে পিরিয়ডিকালি পুলিশের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানেই নৈতিক, শারীরিক এবং বিভিন্ন একাডেমিক প্রশিক্ষণ হয়। এটি প্রচলিত পদ্ধতি। আলাদাভাবে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য আপাতত বর্তমান সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ