শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
জিসিইএ ১১তম আসরের আবেদন শুরু, চ্যাম্পিয়নের জন্য ৫ লাখ টাকার পুরস্কার সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে: প্রধানমন্ত্রী তিলে তিলে নিভছে ১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন, ছেলেকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধের আইনি নোটিশে নাট্য সংগঠনগুলোর তীব্র প্রতিবাদ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১ হাজার ৮৫৫ পদে নিয়োগে ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৬৩৩, নিখোঁজ ২ হাজার ৫০০ সিলেটে এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবসা পর্যালোচনা ও ঋণ আদায় কৌশলবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করলেন হাসানাত আবদুল্লাহ সিরাজগঞ্জে ট্রাকের পেছনে সিএনজির ধাক্কা, নিহত ২
advertisement
আইন-আদালত

রায়পুরায় চালক হত্যা মামলায় ৩ আসামীর যাবজ্জীবন, এক নারীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: নরসিংদীর রায়পুরায় বিজয় মিয়া নামের এক চালক হত্যা করে বিভাটেক ছিনতাইয়ের মামলায় তিন আসামীর যাবজ্জীবন ও এক নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তিনজনকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদ অনাদায়ে আরও ৬মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া এক নারীকে ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।

রোববার (২৪ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (তৃতীয় আদালত) আ.ন.ম ইলিয়াস আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দপ্রাপ্তরা হলেন- নরসিংদী সদর থানার বিলাসদী মহল্লার মো: সোলায়মান মিয়ার ছেলে আলাল মিয়া ওরফে বিল্লাল (৩৫), রায়পুরা থানার বীরগাঁও পূর্ব পাড়া গ্রামের মোসলেম মিয়ার ছেলে কাউছার মিয়া (২৮), রায়পুরার বল্লভপুর গ্রামের ধন মিয়ার ছেলে মো: রবেল মিয়া (৩১) ও রায়পুরা থানার বীরগাঁও গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী রবিয়া বেগম (৪৫)।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিকালে নরসিংদী শহরের বাসাইল মহল্লার চালক বিজয় মিয়া জীবিকার তাগিদে তার বিভাটেক নিয়ে বের হন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীরা যাত্রীবেশে বিজয় মিয়ার বিভাটেক ভাড়া করে। পরে বিজয় মিয়াকে প্রথমে রায়পুরার নিলক্ষা পরে একই উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের মাহমুদ নগরে নিয়ে যায়। সেখানে কৌশলে চালক বিজয় মিয়াকে হত্যা করে লাশগুম করে বিভাটেকটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন লাশ পাওয়ার পর পরিচয় শনাক্ত করে নিহত বিজয়ের মা মিনারা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত করে হত্যায় জড়িত সন্দেহে আসামীদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে। আসামীরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন।

আদালত ১৫ বিচারিক কার্য দিবসে ২০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তিন আসামীর যাবজ্জীবন ও একই সাথে তিনজনকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদ অনাদায়ে আরও ৬মাসের কারাদ প্রদান করেন। এছাড়া ছিনতাই করা বিভাটেক সংরক্ষণ করার দায়ে অভিযোগে এক নারীকে ৬ মাসের কারাদ দেয়া হয়।

দ্রত সময়ে এমন চাঞ্চল্যকর হত্যার রায় প্রকাশে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হালিম।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ