শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার - লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারিয়ারের ৯৭৮তম গোল, আল নাসেরকে জেতালেন রোনালদো জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান নতুন সম্ভাবনায় খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সুযোগ পাচ্ছে ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সি দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? নেপাল ও চীনে বন্যায় নিহত বেড়ে ৫৮৬, নিখোঁজ প্রায় ২,৪০০ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন গেজেট জারি - ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের ওয়ালটন করপোরেট অফিস পরিদর্শন সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - ৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা
advertisement
আইন-আদালত

হলমার্ক কেলেঙ্কারি মামলার রায় ৪ মার্চ


নিজস্ব প্রতিবেদক: দুদকের করা মামলায় হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে এ মামলায় আদালত নতুন কোনো রায়ের তারিখ দেয়নি। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আদালতে আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, আগামী ৪ মার্চ দুই ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করবে আদালত।

এর আগে রোববার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন, হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ। টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিযা, প্যারাগন গ্রুপের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক ও সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকার।

এছাড়া সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন বা রূপসী বাংলা শাখার সহকারী উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. সাইফুল হাসান, নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন ও সোনালী ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা মেরি। সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জিএম অফিসের জিএম ননী গোপাল নাথ ও মীর মহিদুর রহমান, প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজউদ্দিন এবং এজিএম মো. কামরুল হোসেন খান।

আসামিদের মধ্যে জামাল উদ্দিন সরকার, আলতাফ হোসেন জামিনে রয়েছেন। এছাড়া সাইফুল, মতিন, হুমায়ুন, গোপাল নাথ, তসলিম, সাইফুল, মেরী ও জাকারিয়া পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস নামে ভুয়া কোম্পানির হিসাবে ৫২৫ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের সুতা রপ্তানি করা হয় বলে নথিপত্রে দেখানো হয়। ওই হিসাবে পুরো অর্থ জমা করা হলে তা থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলমার্কের আরেক ভুয়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, যা পরে তানভীর ও তার স্ত্রী তুলে নেন। ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের অপব্যবহার এবং পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করে দুদক।

২০১৬ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরবর্তী বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ বদলির আদেশ দেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ