সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
নরসিংদীতে  কারাগারে বন্দীদের জন্য টিভি-বাদ্যযন্ত্র ও সেলাই মেশিন বিতরণ শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী - মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিতে কোনো ঝুঁকি নেই “অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশন’কে” এনসিসি ব্যাংকের অনুদান করপোরেট উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রি করল ইউসিবি গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি প্রজ্ঞাপন জারি - এনবিআরে বড় রদবদল, একযোগে ৬৮ অতিরিক্ত ও যুগ্ম কর কমিশনারকে বদলি ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বিশাল ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ নোয়াখালীতে দুই হোটেলে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৮ সাবেক সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপনের এপিএস গ্রেপ্তার
advertisement
আইন-আদালত

ঝিনাইদহে একই ঘটনায় পুলিশের দু’রকমের প্রতিবেদন!

আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে একটি মামলা তদন্তে দুই রকম প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। একই ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই দুই রকম প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করায় বাদীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মামলার মেরিট নিয়ে।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে কাজী ফারুক ও তার ছোট বোন কাজী শাহানাজের উপর হামলা এবং তাদের বাড়িঘরে লুটপাট চালানো হয়। হামলার ঘটনায় কাজী ফারুক ও তার বোন কাজী শাহানাজ ৯জনকে আসামী করে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা দুইটি তদন্তের জন্য পৃথক দুজন তদন্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। কাজী ফারুকের মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ডাকবাংলা ক্যাম্পের এসআই সোহাগ হোসেন। অন্যদিকে বোন কাজী শাহানাজের মামলার দ্বায়িত্ব পান ঝিনাইদহ সদর থানার এস আই শামিম হোসেন।

মামলার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সোহাগ আসামীদের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন। অন্যদিকে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা সত্য বলে আসামীদের বিপক্ষে প্রতিবেদন দেন এসআই শামিম হোসেন। একই ঘটনায় দুই রকম পুলিশী প্রতিবেদন নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এক মামলার বাদী কাজী ফারুক অভিযোগ করেন, এস আই সোহাগ আসামীদের কাছ থেকে লাভবান হয়ে এমন অসংগতিপুর্ন প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে তাদের ধারণা। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আমার বোনের মামলায় এস আই শামিম হোসেন তাহলে কিভাবে ঘটনার সত্যতা পেলেন ?

এ ব্যাপারে এসআই সোহাগ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহীন উদ্দিন বলেন, যেহেতু দুটি মামলার তদন্ত দুই কর্মকর্তা করেছেন। যে যা তদন্ত করে পেয়েছেন তাই রিপোর্ট দিয়েছেন। যদি বাদীর আপত্তি থাকে তাহলে আদালতে নারাজি দিলে নতুন করে তদন্ত হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ