রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সিগারেট-ওষুধসহ ১১ খাতে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক জাতিসংঘে প্রথম ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু সেপ্টেম্বরে ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার যমুনা ব্যাংকের আয়োজনে পিডিবিএলের বোর্ড ও দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত জামায়াত নেতাকে মারধর - সাবেক সভাপতিসহ বিএনপির ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ‘ফিফা আসিয়ান কাপ-২০২৬’ সরাসরি দেখা যাবে টফিতে ইসলামী ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত তল্লাশিতে মিললো না শরীরে থাকা সোনার পেস্ট, এক্সরেতে ধরা মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে শিশু ও ডেঙ্গু জ্বরে যুবকের মৃত্যু
advertisement
আইন-আদালত

সাবেক ৩ প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও সাবেক প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ ৭ বিচারপতির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে মামলা করা হয়েছে।

এছাড়াও আপিল বিভাগের অন্য সাবেক চার বিচারপতি হলেন- সৈয়দ ঈমান আলী, মির্জা হোসেইন হায়দার, আবু বকর সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান‌।

বুধবার (২৮ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা আইনগত এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে অসাংবিধানিকভাবে আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬ লংঘন করে কোনো শুনানির সুযোগ না দিয়ে আদালত অবমাননার নামে মো. ইউনুস আলী আকন্দকে শাস্তি দেন। প্রথমে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শুনানির সুযোগ না দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রাকটিস সাসপেন্ডসহ আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। তারপর ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিন মাস প্রাকটিস সাসপেন্ডসহ জরিমানা করা হয়।

অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী বলেন, আদালত অবমাননা আইন ১৯২৬ এর ৭ ধারায় আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরণ প্রমাণিত হলে বার কাউন্সিল আইনের ৩২ ধারায় ট্রাইব্যুনাল প্রমাণিত হলে পেশা সাসপেন্ড করতে পারে, কিন্তু আপিল দ্বারা নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এক নয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে সরাসরি মামলা করা যায়। কিন্তু সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি মামলা করা যায় এবং ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিল বিভাগে আপিল হয়। সংবিধানের ১০৪, ১০৮ অনুচ্ছেদে আপিল বিভাগে সরাসরি মামলা করা যায় না। হাইকোর্টের আদালত অবমাননা রায়ের বিরুদ্ধে অনুচ্ছেদ ১০৩ (২) (গ) অনুযায়ী আপিল বিভাগে আপিল হয়। সংবিধান ১০৪ অনুচ্ছেদে বিচারাধীন আপিলে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরুপ প্রয়োজন সেইরুপ আদেশ দিতে পারবে, কিন্তু সরাসরি কোনো মামলায় নয়। সরাসরি আপিল বিভাগে আপিল হয়। উক্ত বিচারাপতিগণ ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে শপথ ভঙ্গ করে আমাকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে অন্তবর্তী আদেশ দিয়ে প্রাকটিস ডিবার্ড করে, যা সংবিধান ১১ অনুচ্ছেদে মানবাধিকার লংঘন। আপিল বিভাগে ওই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার খর্ব করে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ