রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
নরসিংদীতে  কারাগারে বন্দীদের জন্য টিভি-বাদ্যযন্ত্র ও সেলাই মেশিন বিতরণ শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী - মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিতে কোনো ঝুঁকি নেই “অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশন’কে” এনসিসি ব্যাংকের অনুদান করপোরেট উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রি করল ইউসিবি গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি প্রজ্ঞাপন জারি - এনবিআরে বড় রদবদল, একযোগে ৬৮ অতিরিক্ত ও যুগ্ম কর কমিশনারকে বদলি ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত বিশাল ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ নোয়াখালীতে দুই হোটেলে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৮ সাবেক সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপনের এপিএস গ্রেপ্তার
advertisement
আইন-আদালত

হেলিকপ্টার থেকে করা গুলিতে নিহত ১৩ শিশুর পরিবারকে কেন ক্ষতিপূরণ নয়: হাইকোর্ট

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টার থেকে করা গুলিতে নিহত ১৩ শিশুর পরিবারকে কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে, গুলিতে ১৩ শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ৫ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (১৪ আগস্ট) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের দ্বৈত বেঞ্চে রিটটির ওপর শুনানি হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। এরপর বিচারপতি রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

ওইদিন রিটে নিহত ৯ শিশুর বিষয়ে তদন্তের পাশাপাশি প্রত্যেক পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলা হয়। সেই সঙ্গে পরবর্তীতে যদি অন্য কোনো শিশু মৃত্যুর সন্ধান পাওয়া যায়, তবে তাকেও এই ক্ষতিপূরণের আওতাভুক্ত করার কথা বলা হয়।

গত ১ আগস্ট বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার অংশবিশেষ সংগ্রহ করে রিটটি দাখিল করেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন চেয়ে দাখিল করা রিটটি ৪ আগস্ট বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। ওই সময় শুনানি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান তারা।

এ সময় বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেছিলেন, রাজনৈতিক ইস্যু রাজপথে সেটেল হওয়া উচিৎ। পরে সেই বেঞ্চে শুরু হয় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশের সরাসরি গুলি বন্ধে রিটের শুনানি। যা সরাসরি খারিজ করা হয়।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ